বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
প্রেমের টানে জৈন্তাপুরে ভারতীয় খাসিয়া নারী হুলুস্থুল  » «   সিলেটে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম  » «   ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি শামীম আহমদের জিডি  » «   ইসলামী যুব আন্দোলন বিমানবন্দর থানা আহ্বায়ক কমিটি গঠন  » «   স্পেনে টাইগার মাদ্রিদের নতুন জার্সি উন্মোচন ও টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা  » «   সিলেটে কমলা লেবু-মাল্টার উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ  » «   ভারত পালাতে যাওয়া সাদাত গ্রেফতার  » «   স্যার সলিমুল্লাহর কারণেই ঢাকা রাজধানী  » «   জগন্নাথপুরে সরকারি গাড়ির ধাক্কায় শিশু আহত  » «   জগন্নাথপুর কলেজ সরকারি হলেও সুযোগ-সুবিধা বে-সরকারি  » «   ছাতকের দু’ ফিলিং ষ্টেশনে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা  » «   দোয়ারায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রেমিককে দায়ী করে মামলা  » «   সিলেট মহানগর কৃষক লীগের বর্ধিত সভায় শামীমা শাহরিয়ার এমপি  » «   যৌবন ধরে রাখতে চালকুমড়া  » «   নারীদের দিকে বেশি নজর দিন মোদীকে মিস সুন্দরী  » «  

টার্কি পালনে ভাগ্য বদল সাজিদার

টার্কি, মুরগি, চাষ, বাংলাদেশ, ভাগ্য,

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :পরিবারের অভাব অনটনের কারণে পোল্ট্রি ফার্ম, ধান কিনে বিক্রয়সহ নানা ধরনের ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করলেও স্বচ্ছলতা আসেনি। বছর তিনেক আগে পাশের গ্রাম থেকে একজোড়া টার্কি মুরগি কিনে আনেন। সেই টার্কিই ভাগ্য বদলে দিয়েছে সাজিদা খাতুনের। বলছিলাম সাতক্ষীরার সাজিদার কথা।
টার্কির মাংসের সুখ্যাতি বিশ্বজুড়ে। এর উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম। তাই টার্কি পালন বেশ লাভজনক। আর এ টার্কি মুরগি পালনে ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছে সাজিদা খাতুনের মতো অনেকের।
সাজিদা খাতুন জানান, বছর তিনেক আগে পাশের গ্রাম থেকে কেনা একজোড়া টার্কি মুরগি তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। টার্কির বয়স ছয় সাত মাস যেতে না যেতেই ডিম দেয়া শুরু হয়। এরপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সেই এক জোড়া টার্কি মুরগি থেকে এখন তিনি কয়েকশ’ টার্কির মালিক।

তিনি বলেন, প্রতি মাসে ডিম ও টার্কি মুরগি বিক্রয় করে ভালোই আয় হয়। এখন বাণিজ্যিকভাবে টার্কির খামার করছেন তিনি। এ মুরগির সাধারণ মুরগির মতো রোগ বালাই হলেও বড় ধরনের কোনো অসুখ এখন পর্যন্ত হয়নি।
এই উদ্যোক্তা আরও জানান, টার্কির রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব বেশি। ছয় মাসের একটি পুরুষ টার্কির ওজন হয় পাঁচ-ছয় কেজি এবং স্ত্রী টার্কির ওজন হয় তিন-চার কেজি। ইনকিউবেটরের মাধ্যমে ২৮ দিনেই এর ডিম ফুটানো যায়। এছাড়া বর্তমানে দেশীয় মুরগির মাধ্যমে টার্কির ডিম ফোটানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি এক মাসের বাচ্চা জোড়া বিক্রি করেন আড়াই হাজার টাকায়। প্রতিটি ডিম বিক্রি করেন ২০০ টাকায়।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সমরেশ চন্দ্র দাশ জানান, টার্কি আমাদের প্রাণিসম্পদ; একটি নতুন প্রজাতি। যশোর বরিশাল, সাতক্ষীরাতে টার্কি পালন করা হচ্ছে অনেক দিন ধরে। টার্কি পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। এ কারণে খামারিরা এ ব্যবসার প্রতি ঝুঁকছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে সাজিদা খাতুনসহ সকল টার্কি খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।

.

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -