বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
প্রেমের টানে জৈন্তাপুরে ভারতীয় খাসিয়া নারী হুলুস্থুল  » «   সিলেটে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম  » «   ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি শামীম আহমদের জিডি  » «   ইসলামী যুব আন্দোলন বিমানবন্দর থানা আহ্বায়ক কমিটি গঠন  » «   স্পেনে টাইগার মাদ্রিদের নতুন জার্সি উন্মোচন ও টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা  » «   সিলেটে কমলা লেবু-মাল্টার উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ  » «   ভারত পালাতে যাওয়া সাদাত গ্রেফতার  » «   স্যার সলিমুল্লাহর কারণেই ঢাকা রাজধানী  » «   জগন্নাথপুরে সরকারি গাড়ির ধাক্কায় শিশু আহত  » «   জগন্নাথপুর কলেজ সরকারি হলেও সুযোগ-সুবিধা বে-সরকারি  » «   ছাতকের দু’ ফিলিং ষ্টেশনে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা  » «   দোয়ারায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রেমিককে দায়ী করে মামলা  » «   সিলেট মহানগর কৃষক লীগের বর্ধিত সভায় শামীমা শাহরিয়ার এমপি  » «   যৌবন ধরে রাখতে চালকুমড়া  » «   নারীদের দিকে বেশি নজর দিন মোদীকে মিস সুন্দরী  » «  

মশারিতে মশা ঢুকিয়ে ছিটানো হলো ওষুধ, তবুও মরলো না!

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :প্রতিদিনই আ’শঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। দেশের এমন পরিস্থিতিতে এডিস মশা নিধনের কার্যকর ওষুধ এখনও আনা যায়নি। তবে হাত-পা গুটিয়ে বসে নেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

ইতিমধ্যে একটি বিদেশি ওষুধ সংগ্রহ করেছেন তারা। যা ডেঙ্গু মশা নিধনে কার্যকর ওষুধ বলে বিবেচ্য হবে। তবে এর জন্য তিন ধাপে কয়েকটি টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে নমুনা ওষুধকে।

শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে ডিএসসিসি’র নগর ভবনের বারান্দায় বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে ওই ওষুধ কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রথমে ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে দুই বর্গ স্কয়ার ফুটের তিনটি মশারির খাঁচায় ৫০টি করে মশা রাখা হয়। এরপর মাত্র এক হাত দূর থেকে এর চারপাশে একবার করে বিদেশি ওষুধটি ছিটানো হয়।

ফলাফলে দেখা গেল, মাত্র এক হাত দূর থেকে ফগিং (ছিটানো) করার পরও খাঁচায় থাকা মশাগুলো ম’রেনি। মাত্র ২৪ শতাংশ মশা অচেতন অবস্থায় পড়েছিল। তিনটি খাঁচার প্রথমটি ৫০টি মশার মধ্যে ১৩টি, ২য়টিতে ১৪টি এবং তৃতীয়টিতে ৯টি মশা জ্ঞান হা*রিয়েছিল।

প্রথম পরীক্ষায় সন্তুষ্ট না হতে পারলেও জানা গেছে আজ (শনিবার) আবার এই খাঁচাগুলো দেখা হবে। কয়টি মশা ম’রেছে তা গোনা হবে। যদি মৃ’তের সংখ্যা ৮০ শতাংশ হয় তাহলে ধরে নেয়া হবে এই ওষুধের মান ঠিক রয়েছে।

এটাই শেষ নয়, দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য ওষুধের নমুনাটি পাঠানো হবে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ও খামা’র বাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে। সেখানেও দুটি পরীক্ষায় ওষুধটি উত্তীর্ণ হলে তা ছিটানোর কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে ওষুধটির প্রথম পরীক্ষার ফলাফলে খুশি হননি সিটি করপোরেশনের শীর্ষ কর্মক’র্তারা।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

(আমার বাংলাদেশ/আর আহমেদ/র১এম/২০১৯/০৮/০২ )

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -