সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক জোড় ইজতেমা সম্পন্ন  » «   কেন্দ্রীয় সভাপতির উপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে সিলেট জমিয়ত  » «   সিলেটে ইসলামী ব্যাংক মিরবক্সটুলা উপশাখা’র উদ্বোধন  » «   ফ্রান্স জমিয়তের সভাপতিকে জমিয়ত নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা  » «   শাজাহান খানের মিথ্যাচারে নিসচা সিলেট মহানগরের নিন্দা  » «   বিজয়ের বই মেলা ও যুদ্ধদিনের স্মৃতি ৭১-এর উদ্বোধন  » «   ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের কমিটি গঠন  » «   মাসুক উদ্দিন আহমদকে সিলেট আইনজীবী সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা  » «   কোনো ষড়যন্ত্রই শেখ হাসিনার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে পারবে না :নজীবুর রহমান নজীব  » «   জাহান্নামের বর্ণনা ও জাহান্নামীদের শাস্তি কি হবে সকলে জেনে নিন!  » «   সভা-মিছিল নিষিদ্ধ ছাতকে ১৪৪ ধারা জারি  » «   জগন্নাথপুরে ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে গেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান  » «   খেয়েও কেন অপুষ্টিতে ভোগে বাংলাদেশিরা?  » «   বিস্মিত সালমান-ক্যাটরিনার ম্যানেজার!  » «  

যেভাবে চিনবেন কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা গরু

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :আগামী ১২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আযহা। এরিমধ্যে খামারির বিক্রি জন্য তাদের গরুদের প্রস্তুত করছেন। তবে একশ্রেণীর অসাধু খামারি নিষিদ্ধ ওষুধ প্রয়োগ করে গরু মোটাতাজা করেন।

তারা স্টেরয়েড গ্রুপের ওষুধ, যেমন- ডেকাসন, ওরাডেক্সন, প্রেডনিসোলন ইত্যাদি সেবন করিয়ে অথবা ডেকাসন, ওরাডেক্সন স্টেরয়েড ইনজেকশন দিয়ে গরুকে মোটাতাজা করেন। এ ছাড়া হরমোন প্রয়োগ (যেমন ট্রেনবোলন, প্রোজেস্টিন, টেস্টোস্টেরন) করেও গরুকে মোটাতাজা করা হয়।

কৃত্রিমভাবে মোটা করা গরুর মাংস মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ কারণে এসব পশু কোরবানি দেয়া উচিত নয়। তবে বেশিরভাগ সাধারণ গৃহস্থ কোনটি প্রাকৃতিক আর কোনটি কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা হয়েছে, তা বুঝতে পারেন না। নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করলেই এই পার্থক্য ধরা সম্ভব।

আঙুলের চাপ:
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর গা ‘পানি নামা’ রোগীর শরীরের মতো ফুলে থাকে। এই গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস দেবে যায় এবং আগের অবস্থায় ফিরে আসতে অনেক সময় লাগে।

কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা পশুর গায়ে চাপ দিলে মাংস খুব বেশি দেবে যাবে না এবং যতটুকু দেবে যাবে, তা সঙ্গে সঙ্গে আগের অবস্থায় চলে আসবে।

ঘন শ্বাসপ্রশ্বাস:
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়।

রানের মাংস:
ইনজেকশন দেওয়া গরুর রানের মাংস স্বাভাবিক গরুর রানের মাংসের চেয়ে অনেক নরম থাকে।

লালা বা ফেনা:
যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে, সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

খুব ক্লান্ত দেখায়:
সুস্থ গরু একটু চটপটে থাকে। কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু শরীরে পানি জমার কারণে নড়াচড়া কম করে।

হাড় বেরিয়ে পড়া:
যেসব গরুর চেহারা স্বাভাবিক উষ্কখুষ্ক এবং চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে থাকে, সেগুলো সুস্থ ও প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা গরুর লক্ষণ। বেশি চকচক করা গরু বা ছাগলের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।

নাকের ওপরের অংশ ভেজা:
সুস্থ গরুর নাকের ওপরের অংশ ভেজা বা বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা থাকবে। অন্যদিকে অসুস্থ গরুর নাক থাকবে শুকনা।

তাপমাত্রা:
গরুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অসুস্থ।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

(আমার বাংলাদেশ/আরক/ম৭পম )

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -