বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  » «   সকল মাদ্রাসায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা কর্ণার স্থাপনের নির্দেশ  » «   সৌদি থেকে ফিরেছেন আড়াই হাজার বাংলাদেশী  » «   ভারত নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএনপি  » «   সুষ্ঠু অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায় : ব্রিটিশ সরকার  » «   জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞানে সিজদার উপকারিতা  » «   দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সরকারি তালিকাভুক্তি বাতিল  » «   কমলগঞ্জে বাড়িতে প্রবেশ করে ডাকাতির অভিযোগ  » «   জুড়ীর বিএনপি নেতা চুনুকে কুলাউড়া থেকে গ্রেপ্তার  » «   হাওরপাড়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বন্ধু ইউএনও রুমা  » «   মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের শোক  » «   গোলাপগঞ্জে ফুলবাড়ী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ  » «   জান্নাতে যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো!  » «   জগন্নাথপুরে কদরিছ মিয়াকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড়  » «   মোবাইল ফোনে প্রেমে করুণ পরিণতি নারীর  » «  

যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিনারা বেগম চৌধুরীর প্রতিবাদ ও নিন্দা

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :আদালতে হয়রানিমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট জেলা যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিনারা বেগম। গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১১ টায় সিলেট শহরতলীর ঘাটের ছটির আমার ভাড়া বাসা থেকে ১৯ জন নেতাকর্মীকে আটকের পর মিথ্যা, বানোয়াট অপবাদে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার ঘটনা সাজানো ছিল। আমি জামাত-বিএনপির চক্রান্তের শিকার। ওইদিন ‘অসামাজিক কর্মকা-ে’ জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে ও প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রচার করা হয়। আমি ও নারী নেত্রী হেনা বেগম ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সত্য ও প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে জামাত-বিএমপির একটি কুচক্রী মহল আমি মিনারা বেগম চৌধুরী যুব মহিলা লীগ নেত্রী হওয়ার পর থেকে নানা মিথ্যা অপবাদ তোলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। আর এ ষড়যন্ত্রের কারণ জাফলংয়ের আদর্শ গ্রামের সোনাটিলা। যেখানে স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে বসবাস করে আসছে অসহায় ৬০টি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। ভূমিখেকোদের নজর পরে পাথর সামরাজ্যের এই টিলায়।
সোনাটিলা এলাকায় ১১০ ও ১৩৮ নং দাগে ১৯৯১ সালে ২০টি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সরকার এক একর জমি বন্দবস্ত করে দেয়। সেটেলমেন্ট জরিপে তারা প্রত্যেকে মাঠ পরচাও পান। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জরুরি অবস্থার সময় উচ্ছেদ অভিযানে পার্শ্ববর্তী জায়গা দখলমুক্ত হলেও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জায়গা তাদের অনুকূলে থাকে।
সেই সোনাটিলায় চোখ পড়ে প্রভাবশালী ভূমিখেকোদের। তারা মুক্তিযোদ্ধা ৬০টি পরিবারকে ভূমি থেকে তোলে দিতে ইতিপূর্বে কয়েকবার হামলা চালায়। হামলায় অনেকে গুরুতর আহত হলে ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল হামলাকারীর বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা হয়। মামলা নং ৭৬। লাগাতার হুমকি, জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার মানববন্ধনসহ ভিটেমাটি রক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে লিখিত আবেদন করেন।
সোনাটিলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবির সাথে আমি মিনারা বেগম চৌধুরী ও নারী নেত্রী হেনা বেগমসহ কয়েকজনকে নিয়ে একাত্বতা পোষণ করে তাদের নানা সহায়তা করে যাওয়ায় আজ ভূমিখেকোদের আমি প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়েছি। আমার কারনে ভূমিখেকো চক্র জায়গা দখলে আসতে পারছেনা। যদিও জামাত-বিএমপি চক্র নানাভাবে আমাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তারা আজ আমার পারিবারিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
তারই চক্রান্ত হিসেবে গত ২৫ আগস্ট সন্ধান রাতে আমার ভাড়া বাসা থেকে আমার আত্মীয়স্বজনসহ মিথ্যা বানোয়াট ও পূর্বপরিকল্পিত নাটক সাজিয়ে আমাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে কু-চক্রি মহলের অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে আদালতকে জানায়। আদালত ৫৪ দারা হতে আমাদের সবাইকে অব্যাহতি প্রদান করে। আর সে কারণে ওই ঘটনার তাৎক্ষণিক নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

(আমার বাংলাদেশ/রু-আহমেদ/স/১১/প/ম )

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -