মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
তোমার হিন্দু প্রতিবেশীদের প্রতি খেয়াল রেখো বাবা  » «   আগুন জ্বলছে এখন মার্কিন রণতরীতে  » «   করোনা সন্দেহে নিজের বাবাকে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে  » «   করোনার আক্রান্ত বেড়েছে, কমেছে মৃত্যু  » «   পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগীতায় মৃত সুজনের লাশ দেশে প্রেরন  » «   ধোনি তেমন একটা কোয়ালিটি প্লেয়ার তৈরি করে রেখে যেতে পারেনি”গৌতম গম্ভীর  » «   বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে  » «   ঘরের ভিতরের বন্যার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু  » «   করোনা আরও অনেক বেশি অবনতি হতে পারে  » «   ১০৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২  » «   গোলাপ মিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সেজু মিয়া ও ইকবাল মিয়ার বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  » «   সড়ক উন্নয়ন ও ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইনের কাজ পরিদর্শন করেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী  » «   চার্জশিট ভুক্ত আসামী জাকিরের দাপটে চাকরি হারালেন সাংবাদিক রুহিন  » «   সাহেদের বিরুদ্ধে দুটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত  » «   যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের মৃত্যুতে বিশিষ্টজনদের শোক  » «  

”এ ভালোবাসা ভূলবার নয়”

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :ইসরাইল আলী সাদেক”’প্রথমে বলতে চাই’’রুহুল আমিন ভাই দেখে যাও, তোমার পরিবার একা নয়। তোমার পরিবারের পাশে অভিভাবক হিসেবে, স্বজন হিসেবে ছায়া হয়ে দাঁড়িয়েছেন আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়।

অনেক বড় মনের অধিকারী আমদের প্রিয় অভিবাক। বলতে পারেন অনেক গুণী মানুষ।আমদের সিলেট-১ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আব্দুল মোমিন।   উনার  কাছে আমরা নার্সরা তো খুব অতি ছোট মানুষ। এতো বড় মাপের মানুষের সান্নিধ্যে যাওয়া বা সান্নিধ্য পাওয়া আমাদের মতো নার্সিং কর্মকর্তারা চিন্তা করাই এক স্বপ্ন বলতে পারেন।

খুব অল্প সময়ে আমাদের সকলের প্রিয় মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সিলেটের নার্সদের বড় নিজের মতো করে ভালোবাসায় সম্পৃক্ত করে নিয়েছেন। সিলেটের নার্সরা এখন মনে করে আমাদের পরিবারেরই একজন লোক।কোনো কষ্ট আর প্রয়োজন বলা লাগে না। সামনে ধারালে দূরে থেকেও তিনি তা অনুধাবন করতে পারেন।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সীমানা রেখা পেরিয়ে করোনা ভাইরাস নামক মহামারি যখন আমাদের প্রাণ প্রিয় বাংলাদেশে হানা দিয়েছে।তখন সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে প্রতিটি মেডিকেলে নার্সরা স্বাভাবিকই কিছুটা ভীত ও আতঙ্কিত হয়ে পরে।

ঠিক তখনই সিলেটের নার্সদের অভিবাক ছায়া হয়ে পাশে দাঁড়ান মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী।প্রতিনিয়ত নার্সিং কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি সব উদ্যোগ গ্রহন করেন।বিভিন্ন সময়ে ফোনে সাহস যুগাতে নানা পরামর্শ দিতে শুরু করেন।মন্ত্রী মহোদয়ের এই ভূমিকা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে তুলে। সকল ভয় ভীতি আর শঙ্কা দূরে ঠেলে  নিজেদেরকে  মানবসেবায় নিয়োজিত করি।

মন্ত্রীর পক্ষ থেকে নার্সদের জন্য পাঠানো হয় পিপিই সহ সবধরণের নিরাপত্তা সামগ্রী। এরপর থেকে করোনা আক্রান্তদের সেবা দিতে দিতে ওসমানী ও শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের বহু নার্স আক্রান্ত হলেন। কিন্তু তাতে তাদের মনোবলে একটু ভেঙ্গে  পরে নি।শুধু যে মন্ত্রী মহোদয় নার্সিং কর্মকর্তাদের জন্য করছেন, তা নয়। তাঁর সুযোগ্য সহধর্মিনী সমাজসেবী সেলিনা মোমেন ম্যাডামের কথা না বললে অবিচার হবে।

আমাদের নার্সরা যখন কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি হলেন, তখন নিয়মিত খোঁজ নিতে থাকেন ম্যাডাম। হাসপাতালে ভর্তি নার্সদের জন্য একাধিকবার পাঠান পুষ্টিকর খাবার ও ফলফলাদি। স্যার আর ম্যাডামের এই আন্তরিকতা সিলেটের নার্সিং কর্মকর্তাদের মনের মধ্যে লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে।

গত শুক্রবার যখন আমাদের সহকর্মী নার্সিং অফিসার রুহুল আমিন ভাই করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তখন সত্যিই আমরা অনেকটা ভেঙ্গে পড়ি। নিজেদের চোখের সামনে প্রিয় ভাইয়ের এভাবে চলে যাওয়া যেন আমরা কেউই মেনে নিতে পারছিলাম না।

মৃত্যুর একদিন পেরুতে না পেরুতেই স্যার ঘোষণা দিলেন রুহুল আমিন ভাইয়ের একমাত্র ছেলের পড়ালেখার দায়িত্ব নেওয়ার। একজন নার্স হিসেবে এরচেয়ে বড় পাওয়ার আর কি আছে। দেশে কতো নার্স মারা যান। কে কার খবর রাখে। কিন্তু আমাদের মন্ত্রী মহোদয় সত্যিই বড় মানবিক মানুষ। তাঁর তুলনা কেবলই তিনি। তাঁর এই ঋণ এক জনমে শোধ হবার নয়।

ইসরাইল আলী সাদেক, সাধারণ সম্পাদক

বাংলাদেশ নার্সেস এসোেিয়শন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

 

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -