রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
পাপুলের সঙ্গে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন কুয়েতের সেনা কর্মকর্তা গ্রেফতার  » «   করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন হাসপাতালে ভর্তি  » «   জকিগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে গাজা সহ ১জনকে আটক করলো পুলিশ  » «   স্বাস্থ্যসেবায় ঘাটতি রাখা যাবে না  » «   যে মসজিদের আযান শুনলো তুর্কিবাসী  » «   করোনা শনাক্ত চিংড়ির প্যাকেটে ,নিষিদ্ধ করল চীন  » «   সিলেটের জকিগঞ্জে গুরুসদয় কলেজে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ  » «   রাতের সিলেটে ভয়ঙ্কর পানপার্টি  » «   গত দুই দিনে সাগরপথ পাড়ি দিয়ে ইতালি পৌঁছেছে ৩৬২ জন বাংলাদেশি  » «   কক্সবাজারে ঈদুল আযহা পর্যন্ত সব পর্যটন স্পট বন্ধ  » «   বগুড়া-১ উপ-নির্বাচন আগামী ১৪ জুলাই করতেই হবে:সিইসি  » «   করোনা থেকে মুক্তি মিলেছে’মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার  » «   দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৫  » «   ওসমানীতে হাই-ফ্লো নজেল ক্যানেলা প্রদান করলেন”পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   সিলেটে লক্ষাধিক জাল টাকার নোটসহ দুজনকে আটক করলো র‍্যাব  » «  

কেউ হত্যার হুমকি দিলে বা বিরক্ত করলে কি করবেন

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :কোন ব্যক্তির শান্তি বিনষ্ট হলে কিংবা অবৈধ কাজের আশংকা দেখা দিলে কিংবা বিরক্তিকর কোন কাজ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিংবা হুমকি দিলে সাধারণত ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৭ (সি) ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলার বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।

এক কথায় ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ কিংবা স্বার্থ উদ্ধারের জন্য আমরা একে অপরকে ভয়ভীতি কিংবা হুমকি প্রদর্শণ করে থাকি। এ ধরণের কর্মকান্ড থেকে কাউকে নিবৃত করার ক্ষেত্রে ১০৭ ধারা একটি বলিষ্ট হাতিয়ার।

তবে এ ধারার মামলা একটি জামিনযোগ্য অপরাধ। অপরাধীকে মুচলেকার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা বিধান করতেই এ ধারাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এ মামলার খারিজ আদেশ বা ১১৭ (সি) ধারার বন্ড প্রদানের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৩৫/৪৩৯ (এ) ধারামতে রিভিশন দায়ের করে প্রতিকার পেতে পারেন।

ধরুণ, আপনার প্রতিবেশী মামুন সাহেব বিনা কারণে আপনাকে উৎপাত করছেন বা হুমকি দিচ্ছেন। জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা রাস্তায় বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন।

এ অবস্থা থেকে প্রতিকার পেতে আপনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা মতে মামুন সাহেবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবেন। তবে আদালতে যাওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করে রাখতে পারেন নিকটস্থ থানায়। অনেক সময় অভিযোগটি গুরুতর হলে পুলিশ এ জিডি থেকেই নন-প্রসিকিউশন প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

এ ছাড়া আপনি যদি মনে করেন কারও দ্বারা আপনার পারিবারিক বা সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কোনো কলহ-বিবাদ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে কিংবা বিরক্তিকর কোনো কাজের আশঙ্কা রয়েছে তাহলে আপনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে পারেন।

কেউ আপনাকে অযথাই হুমকি-ধমকি দিলে, ভয়ভীতি দেখালেও ১০৭ ধারার আশ্রয় নিতে পারেন।

এই ধারায় প্রতিকার সাধারণত শান্তি রক্ষার মুচলেকার মামলা বলেই পরিচিত।

১০৭ ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে কিংবা দায়ী ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য বন্ড বা মুচলেকা সম্পাদনের জন্য বাধ্য করা যায়। এ ধরনের মামলা করতে হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

আইনজীবীর মাধ্যমে আরজি উপস্থাপন করতে হবে।

আরজিতে মূল অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম-ঠিকানাসহ কেন, কী কারণে আপনার শান্তি বিনষ্ট করছে এবং কোনো ভয়ভীতি দেখালে কখন ঘটনাটি ঘটেছে তা স্পষ্ট করে লিখতে হবে।

আরজির সঙ্গে কোনো প্রমাণ থাকলে তা দাখিল করতে হবে।

কোনো সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করা থাকলে তাও দাখিল করতে হবে।

১০৭ ধারায় দায়ী কোনো ব্যক্তি জামিন পাওয়ার যোগ্য। এ ধারায় মামলার উদ্দেশ্য হলো দায়ী ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুচলেকা সম্পাদনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা প্রদান করা।

১০৭ ধারায় আশ্রয় নিলে আদালত প্রাথমিক শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের জন্য আদেশ দেবেন। তখন দায়ী ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা সম্পাদন করতে হবে। মুচলেকায় বলতে হবে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের উৎপাত করবেন না এবং ভয়ভীতি দেখাবেন না।

দায়ী ব্যক্তি যদি মুচলেকা সম্পাদন করতে না চান এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন, তাহলে জবাব প্রদান করতে পারেন লিখিতভাবে।

এ জবাবেও ভবিষ্যতে কোনো প্রকার ভয়ভীতি দেখাবেন না কিংবা কোনো ধরনের শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন না এ মর্মে অঙ্গীকার করতে পারেন।

যদি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো দোষ স্বীকার না করেন, তাহলে সাক্ষ্য শুরু হতে পারে আদালতে।

সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হলে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন আদালত।

সাধারণত ১০৭ ধারায় মামলা করা হলেও আদালতে ১০৭ ধারার সঙ্গে ১১৭ (গ) ধারা অনুযায়ী মূলত মুচলেকা সম্পাদনের প্রতিকার চাইতে হয়।

আদালতও সে অনুযায়ী আদেশ দিয়ে থাকেন। এ ধারার মামলার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের সুযোগ রয়েছে।কেউ হুমকি দিলে, বিরক্ত করলে কিংবা শান্তি বিনষ্ট হলে আইনি প্রতিকার
:
কোন ব্যক্তির শান্তি বিনষ্ট হলে কিংবা অবৈধ কাজের আশংকা দেখা দিলে কিংবা বিরক্তিকর কোন কাজ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিংবা হুমকি দিলে সাধারণত ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৭ (সি) ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলার বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।

এক কথায় ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ কিংবা স্বার্থ উদ্ধারের জন্য আমরা একে অপরকে ভয়ভীতি কিংবা হুমকি প্রদর্শণ করে থাকি। এ ধরণের কর্মকান্ড থেকে কাউকে নিবৃত করার ক্ষেত্রে ১০৭ ধারা একটি বলিষ্ট হাতিয়ার।

তবে এ ধারার মামলা একটি জামিনযোগ্য অপরাধ। অপরাধীকে মুচলেকার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা বিধান করতেই এ ধারাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এ মামলার খারিজ আদেশ বা ১১৭ (সি) ধারার বন্ড প্রদানের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৩৫/৪৩৯ (এ) ধারামতে রিভিশন দায়ের করে প্রতিকার পেতে পারেন।

ধরুণ, আপনার প্রতিবেশী মামুন সাহেব বিনা কারণে আপনাকে উৎপাত করছেন বা হুমকি দিচ্ছেন। জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা রাস্তায় বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন।

এ অবস্থা থেকে প্রতিকার পেতে আপনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা মতে মামুন সাহেবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবেন। তবে আদালতে যাওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করে রাখতে পারেন নিকটস্থ থানায়।

অনেক সময় অভিযোগটি গুরুতর হলে পুলিশ এ জিডি থেকেই নন-প্রসিকিউশন প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

এ ছাড়া আপনি যদি মনে করেন কারও দ্বারা আপনার পারিবারিক বা সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কোনো কলহ-বিবাদ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে কিংবা বিরক্তিকর কোনো কাজের আশঙ্কা রয়েছে তাহলে আপনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে পারেন।

কেউ আপনাকে অযথাই হুমকি-ধমকি দিলে, ভয়ভীতি দেখালেও ১০৭ ধারার আশ্রয় নিতে পারেন।

এই ধারায় প্রতিকার সাধারণত শান্তি রক্ষার মুচলেকার মামলা বলেই পরিচিত।

১০৭ ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে কিংবা দায়ী ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য বন্ড বা মুচলেকা সম্পাদনের জন্য বাধ্য করা যায়।

এ ধরনের মামলা করতে হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

আইনজীবীর মাধ্যমে আরজি উপস্থাপন করতে হবে।

আরজিতে মূল অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম-ঠিকানাসহ কেন, কী কারণে আপনার শান্তি বিনষ্ট করছে এবং কোনো ভয়ভীতি দেখালে কখন ঘটনাটি ঘটেছে তা স্পষ্ট করে লিখতে হবে।

আরজির সঙ্গে কোনো প্রমাণ থাকলে তা দাখিল করতে হবে।

কোনো সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করা থাকলে তাও দাখিল করতে হবে। ১০৭ ধারায় দায়ী কোনো ব্যক্তি জামিন পাওয়ার যোগ্য।

এ ধারায় মামলার উদ্দেশ্য হলো দায়ী ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুচলেকা সম্পাদনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা প্রদান করা।

১০৭ ধারায় আশ্রয় নিলে আদালত প্রাথমিক শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের জন্য আদেশ দেবেন।

তখন দায়ী ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা সম্পাদন করতে হবে। মুচলেকায় বলতে হবে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের উৎপাত করবেন না এবং ভয়ভীতি দেখাবেন না।

দায়ী ব্যক্তি যদি মুচলেকা সম্পাদন করতে না চান এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন, তাহলে জবাব প্রদান করতে পারেন লিখিতভাবে।

এ জবাবেও ভবিষ্যতে কোনো প্রকার ভয়ভীতি দেখাবেন না কিংবা কোনো ধরনের শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন না এ মর্মে অঙ্গীকার করতে পারেন। যদি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো দোষ স্বীকার না করেন, তাহলে সাক্ষ্য শুরু হতে পারে আদালতে।

সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হলে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন আদালত। সাধারণত ১০৭ ধারায় মামলা করা হলেও আদালতে ১০৭ ধারার সঙ্গে ১১৭ (গ) ধারা অনুযায়ী মূলত মুচলেকা সম্পাদনের প্রতিকার চাইতে হয়।

আদালতও সে অনুযায়ী আদেশ দিয়ে থাকেন। এ ধারার মামলার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের সুযোগ রয়েছে।

 

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -