শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
করোনা উপসর্গ নিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু, সৎকার করলো প্রশাসন  » «   সিলেটে ছুরিকাঘাতে শ্রমিক নেতা খুন  » «   কোয়ারেন্টিনে নারী পুলিশ সদস্যের বিষপানে মৃত্যু  » «   মাছ ব্যবসায়ী যখন ডাক্তার’  » «   সিলেটে করোনা সংখ্যা প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে  » «   শিক্ষকের ধর্ষণে ১০ বছরের শিশু অন্তঃসত্তা  » «   পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ নারী নিখোঁজ  » «   একটি ঘুষি দেই দম বন্ধ হয়ে যায় ”তারপর ঘাড় মটকে হত্যা করি  » «   শনিবার বেলা ১১টায় বনানী মসজিদে সাহারা খাতুনের জানাজা  » «   দেশে নতুন ২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি  » «   সাহেদ যে কাজ করেছে শাস্তি তাকে পেতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   করোনা জয় করে মানুষের সেবায় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মনজুর-এ-মর্শেদ  » «   সাংবাদিক কী সন্ত্রাসী”ভাড়াটিয়া গুন্ডা ”ইকরামুল কবির  » «   নাট্যনির্মাতা স্বপন সিদ্দিকী করোনায় মারা গেলেন  » «   বনানী কবরস্থানে মা বাবার পাশে দাফন করা হবে সাহারা খাতুন’কে  » «  

সিলেট এমসি কলেজের ১২৮ বছর পূর্ণ হল

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :আজ সেই সবুজ ক্যাম্পাসের জন্মদিন। এমসি কলেজ দিবস। এখন থেকে প্রায় ১১ যুগ আগে ১৮৯২ সালে রাজা গিরিশ চন্দ্র রায় তার পিতামহ মুরারিচাঁদের নামে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উলেখ্য, মুরারিচাঁদ কলেজ ১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তৎকালীন সিলেটের প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী রাজা গিরিশচন্দ্র রায় (১৮৪৫ – ১৯০৮) -এর অনুদানে। কলেজটির নামকরণ করা হয় তার প্রমাতামহ মুরারিচাঁদ এর নামে। পূর্বে কলেজটি সিলেটের বন্দর বাজারের নিকট রাজা জি. সি. উচ্চ বিদ্যালয় এর পাশে অবস্থিত ছিল। ১৮৯১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজটিতে এফ. এ. ক্লাস খোলার অনুমতি দিলে ১৮৯২ সালের ২৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে মুরারিচাঁদ কলেজের যাত্রা শুরু হয়। সেসময় ছাত্রদের বেতন ছিল ৪ টাকা এবং ১ম বিভাগে এন্ট্রান্স পাশকৃতদের জন্য বিনা খরচে পড়ার ব্যবস্থা ছিল।

১৮৯২ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত রাজা গিরিশচন্দ্র রায় নিজেই কলেজটির সকল খরচ বহন করেন। ১৯০৮ সালে রাজা মারা গেলে কলেজটি সরকারি সহায়তা চায়। তখন থেকে কলেজটি সরকারি সহায়তায় পরিচালিত হতে থাকে। এরপর ১৯১২ সালে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কলেজ রূপে আত্মপ্রকাশ করে। একই বছর তৎকালীন আসামের চিফ কমিশনার স্যার আর্চডেল আর্ল কলেজটিকে ২য় শ্রেণির কলেজ থেকে ১ম শ্রেণির কলেজে উন্নীত করেন । ১৯১৩ সালে কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান ক্লাস চালু হয়। পরবর্তীতে জননেতা আব্দুল মজিদ (কাপ্তান মিয়া) সহ আরো অনেকে মিলে ১৮০০০ টাকা অনুদান দিলে কলেজটিতে স্নাতক শ্রেণি চালু হয়।

১ম বিশ্বযুদ্ধ ও অন্যান্য নানা সমস্যার কারণে কলেজের ক্যাম্পাস পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়। তখন কলেজ থেকে ৩ কি. মি. দুরে থ্যাকারে টিলায় (বর্তমান টিলাগড়) ১২৪ একর ভূমি নিয়ে বিশাল ক্যাম্পাসে কলেজ স্থানান্তর করা হয়। সে সময় কলেজের ছাত্রসংখ্যা ছিল ৫৬৮ জন। ১৯২১ সালে তৎকালীন আসামের গভর্নর স্যার উইলিয়াম মরিস কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯২৫ সালে ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলে তা উদ্বোধন করেন তৎকালীন আসামের গভর্নর স্যার উইলিয়াম রীড।

১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পূর্ব পর্যন্ত কলেজটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। দেশ বিভাগের পর এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৬৮ সালে কলেজটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়, এবং সর্বশেষ ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর মত মুরারিচাঁদ কলেজটিকেও বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত করা হয় এবং অদ্যাবধি রয়েছে।

(আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: -