ফিচার – AmarBangladeshbd.com http://amarbangladeshbd.com সত্য প্রকাশে দৃঢ় প্রত্যয় Mon, 13 Jul 2020 06:00:09 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.4.2 পঙ্গুত্ব বরণকারী ছাত্রলীগ নেতা পিনুর গল্প http://amarbangladeshbd.com/covernews/180683 Mon, 13 Jul 2020 06:00:09 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=180683 রুহিন আহমদ;;অকুতোভয় এক সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ইতিহাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই ছাত্রসংগঠনটি। বর্তমান এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। প্রতিটি সবুজ ক্যাম্পাসে প্রত্যেক ছাত্রের ন্যায্য অধিকার নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ... বিস্তারিত »

The post পঙ্গুত্ব বরণকারী ছাত্রলীগ নেতা পিনুর গল্প appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

রুহিন আহমদ;;অকুতোভয় এক সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ইতিহাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই ছাত্রসংগঠনটি। বর্তমান এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। প্রতিটি সবুজ ক্যাম্পাসে প্রত্যেক ছাত্রের ন্যায্য অধিকার নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তেমনি এক মুজিব সেনা মনিরুল হক পিনুর গল্প জানাতে চাই।

বঙ্গবন্ধু আদর্শের একজন সৈনিক ৮ম শ্রেনীতে পড়া অবস্থায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন।

এসময় তিনি বলেন ,ছাত্রলীগ যে সংগঠনটির সংবিধানে প্রতিটিঅক্ষরে স্পষ্ট বলিয়ান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুশৃঙ্খল রাখা, ছাত্রদের অধিকার আদায়, হতদরিদ্র ছাত্রদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের আবাস স্থল নিশ্চিতকরন ইত্যাদি সম্মেলিত আন্দোলনে গঠিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বাংলাদেশ ও ছাত্রলীগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ছাত্রলীগকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ চিন্তা করা দুষ্কর।ছাত্রলীগের ইতিহাস মানে এক নব দিগন্তের ইতিহাস।আর সেই ছাত্রলীগের নামে নিজেক তৈরি করেছি একজন মুজিব সৈনিক হিসাবে।

চার ভাইয়ের মধ্যে পরিবারের বড় ছেলে পিনু,গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের কায়স্থগ্রামের মরহুম ফজলুল হক লেচু মিয়ার ছেলে।

পিনু ফুলবাড়ী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা সভাপতি থেকে থেকে গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ছিলেন।

সাংগঠনিক দক্ষতা ভালো থাকায় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ সিলেট জেলা ছাত্রিলীগের উপ-আপ্যায়ন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।পিনুর মত তার ছোট তিন ভাই ও বঙ্গবন্ধু আদর্শে অনুপ্রানিত হয় ছাত্রলীগের রাজনীতি করছে।

হয়তবা আপনারা লেখাটি পড়ে পুরো বিষয়টি বুজেন নি।তাই আমরা আপনাদের আরেক পর্বে অন্য বিষয় গুলো তুলে ধরবো।চোখ রাখুন দৈনিক আমার বাংলাদেশে।

পর্ব (১)

(আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post পঙ্গুত্ব বরণকারী ছাত্রলীগ নেতা পিনুর গল্প appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
পৃথিবীতে যেসব গাছ নিয়ে হয় প্রতিযোগিতা হয় http://amarbangladeshbd.com/covernews/180337 Fri, 10 Jul 2020 14:05:33 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=180337 আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :বিশ্বে সুন্দরী প্রতিযোগিতা বা খেলাধুলার পাশাপাশি নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। তেমনই ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে হয় সেরা গাছের প্রতিযোগিতা। আশ্চর্য হচ্ছেন তো? আশ্চর্য হওয়ারই কথা! গাছের প্রতিযোগিতা। তাও আবার... বিস্তারিত »

The post পৃথিবীতে যেসব গাছ নিয়ে হয় প্রতিযোগিতা হয় appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :বিশ্বে সুন্দরী প্রতিযোগিতা বা খেলাধুলার পাশাপাশি নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। তেমনই ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে হয় সেরা গাছের প্রতিযোগিতা। আশ্চর্য হচ্ছেন তো?
আশ্চর্য হওয়ারই কথা! গাছের প্রতিযোগিতা। তাও আবার সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বিশ্বের নানা দেশের গাছেরা নির্বাচিত হয়। না এখানে অন্যান্য প্রতিযোগিতার মতো প্রতিযোগিতে স্বশরীরে উপস্থিত হতে হয় না। কারণ গাছকে তো কেটে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়া সম্ভব না। তাই এই প্রতিযোগিতা হয় অনলাইনে।

২০১১ সাল থেকে সেরা গাছ প্রতিযোগিতা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে আয়োজন করা হয়। এনভায়রনমেন্টাল পার্টনারশিপ অ্যাসোসিয়েশন (ইপিও) এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠানটি ইউরোপীয় ভূমি মালিক সমিতি এবং ইউরোপীয় কমিশন দ্বারা সমর্থিত। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ নিজেদের দেশে ভোটের মাধ্যমে একটি গাছ নির্বাচন করে। পরে সব দেশের মনোনীত গাছের মধ্য থেকে অনলাইন ভোটের মাধ্যমে একটি সেরা গাছ নির্বাচন করা হয়। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে এই অনলাইন ভোট গ্রহণ হয়। ব্রসেলসে অবস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টে মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী গাছের নাম ঘোষণা করা হয়।

চেক প্রজাতন্ত্রের এনভায়রনমেন্টাল পার্টনারশিপ ফাউন্ডেশন বেশ কয়েক বছর সেরা গাছ নির্বাচনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করে। ইপিও এর থেকেই উদ্ভুদ্ধ হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জুড়ে প্রতিযোগিতাটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত কিংবা মনোনীত গাছ গুলো নিয়ে অসাধারণ গল্প প্রচলিত আছে। তেমনই কয়েকটি গাছ সম্পর্কে আজকের লেখা।

গুবেক লিন্ডেন, ক্রোয়েশিয়া

প্রাচীন এই গাছটি ১৫৭৩ সালে সংঘটিত মহাকৃষক বিদ্রোহের একটি জীবন্ত সাক্ষী। জনশ্রুতি অনুসারে, কৃষক নেতা মাতিজা গুবেক এই গছটির নিচে নিজের সমর্থকদের নিয়ে জড় হয়েছিলেন। সেখান থেকেই শ্রেণিবদ্ধ অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই লিন্ডেন গাছটির বয়স এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যের কারণে ১৯৫৭ সালে সুরক্ষিত প্রাকৃতিক স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে গাছটির উচ্চতা ৯ মিটার। এর কাণ্ডের ব্যাস ৪ দশমিক ৭ মিটার।

লাইম ট্রি অব লিবার্টি, চেক প্রজাতন্ত্র

১৯১৮ সালে চেকোস্লোভাকিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। সেসময় জনগণ ভেলকে অপাটোভিসে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির প্রতীক হিসেবে ১৬টি লাইম ট্রি রোপণ করেছিল। এই গাছগুলোর মধ্যে একটি রোপণ করা হয়েছিল জাডভোরিতে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর স্থানীয় একজন দেশপ্রেমিক এবং শান্তিবাদী ব্যক্তি জান পোসপিল এটি রোপণ করেছিলেন। ১৯১৮ সালে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে রোপণ করা ১৬টি গাছের মধ্যে জান পোসপিলের রোপণ করা গাছটি এখনো জীবিত আছে। গাছটি পাঁচ রাস্তার মোড়ে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে জার্মান এবং রেড আর্মি উভয় বাহিনীই এই গাছের চারপাশের রাস্তা দিয়ে অগ্রসর হয়েছিল। ঐতিহাসিক এই লাইম ট্রিটি ধীরে ধীরে চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতা এবং সহনশীলতার প্রতীক হয়ে ওঠে।

রাউদন ক্যাসেল লাইম, লিথুনিয়া

লিথুনিয়ার রাউদন দুর্গের পাশের বাগানে একটি লাইম ট্রি আছে। গাছটির তিন মিটার উচ্চতায় দুটি কাণ্ডের মধ্যে একটি ধাতব রড আছে। জনশ্রুতি প্রচলিত আছে সাতজন ভূমিদাসকে এই রডের সঙ্গে বেঁধে অত্যাচার করে হত্যা করা হয়েছিল। এই ভূমিদাসদের কষ্ট অনুধাবন করে সাতটি কাণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। এর প্রতিটি কাণ্ড থেকে দুটি বা ততোধিক অংশে বিভক্ত হয়ে প্রায় ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়েছে। সেগুলো দেখলে মনে হয় যন্ত্রণাকাতর মানুষের হাতের মতো।

দ্য বার্ড ট্রি, ঘিসুনাকিয়া, ফ্রান্স

দ্য বার্ড ট্রি মূলত কর্সিকান কর্ক ওক গাছ। গাছটির আকৃতি দেখলে মনে হবে শিকারি পাখি ডানা মেলে আছে। গাছের কিছু অংশ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ডানার মতো রূপ ধারণ করেছে। ধারণা করা হয় কোনো অগ্নিকাণ্ডের ফলে গাছটি এমন আকৃতি ধারণ করেছে। গাছটি কাছে যাওয়া কেউ কেউ দাবি করেছেন, এর কাছে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুরক্ষার অনুভূতি আসে। আর গাছটি থেকে দূরে চলে গেলে রহস্যজনকভাবে সে অনুভূতি চলে যায়।এই ওক গাছটির অবস্থান অ্যাব্রামতেসভো স্টেট মিউজিয়ামের সংরক্ষিত অঞ্চলে। গাছটির বয়স প্রায় আড়াই’শ বছর। রাশিয়ার শিল্প সাহিত্যের সঙ্গে গাছটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিখ্যাত চিত্র শিল্পীরাও গাছটির কাছে চিত্রকর্ম সম্পাদন করেছেন।সূত্র: অ্যামিউজিংপ্লানেটস

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

 

The post পৃথিবীতে যেসব গাছ নিয়ে হয় প্রতিযোগিতা হয় appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
কোন রঙের বাংলাদেশী পাসপোর্ট কাদের জন্য http://amarbangladeshbd.com/covernews/180158 Thu, 09 Jul 2020 11:08:35 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=180158 আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ কিংবা অন্য কোনো জরুরি কাজে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট প্রয়োজন হয়। পাসপোর্ট ছাড়া কোনো রকমেই অন্য দেশে ভ্রমণ সম্ভব নয়। তাইতো বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট... বিস্তারিত »

The post কোন রঙের বাংলাদেশী পাসপোর্ট কাদের জন্য appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক :এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ কিংবা অন্য কোনো জরুরি কাজে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট প্রয়োজন হয়। পাসপোর্ট ছাড়া কোনো রকমেই অন্য দেশে ভ্রমণ সম্ভব নয়। তাইতো বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ সালে এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি মানুষের পাসপোর্ট রয়েছে।
স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৩ সালে পূর্ণাঙ্গ রূপে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকে বাংলাদেশে মূলত তিন রঙের পাসপোর্ট চালু আছে, যা মূলত তিনটি ভিন্ন ধরণ ও ব্যবহার নির্দেশকারী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের একজন পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেছেন, শুরুতে পাসপোর্ট ছিল তিন রকম, অর্ডিনারি বা সাধারণ পাসপোর্ট, স্পেশাল বা বিশেষ পাসপোর্ট এবং ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট। বিশেষ পাসপোর্ট কেবল মাত্র ভারতে যাবার জন্য ইস্যু করা হতো বলে সেটি ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট নামেও পরিচিত ছিল।

২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টের রঙ ছিল সবুজ, আর কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছিল লাল রঙের। এছাড়া ইন্ডিয়ান পাসপোর্টের রঙও ছিল লাল, তবে সেটি কূটনৈতিক পাসপোর্টের চেয়ে কিছুটা আলাদা রঙের।

২০১০ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব পাসপোর্ট হাতে লেখা ছিল।

২০১০ সালে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাও এর নির্দেশনা অনুযায়ী মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি চালু করা হলে বিশেষ পাসপোর্ট বা কেবল ভারতে যাওয়ার পাসপোর্ট বিলুপ্ত করা হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের রঙ ভিন্ন ভিন্ন হয়। তবে যে দেশ যে রঙেরই পাসপোর্ট দিক না কেন, সেটা অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাও এর কাছ থেকে পাসপোর্ট এর রঙ আর নকশার ছাড়পত্র নিতে হয়। তবে সাধারণভাবে পৃথিবীতে লাল, নীল, সবুজ ও কালো এই চারটি রঙের ভিন্ন ভিন্ন শেড এর হয়।

বাংলাদেশে সাধারণভাবে সকলের জন্য সবুজ রঙের পাসপোর্ট চালু থাকলেও, দেশে আরো দুটি রঙ অর্থাৎ নীল এবং লাল পাসপোর্ট চালু রয়েছে। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কাদের জন্য কোন রঙের পাসপোর্ট-

সবুজ পাসপোর্ট

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক সাঈদ বলেছেন, সবুজ পাসপোর্টকে বলা হয় অর্ডিনারি পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট হচ্ছে বাংলাদেশের সকল সাধারণ নাগরিক এবং সরকারি চাকরিজীবীর জন্য। এক্ষেত্রে জন্মসূত্রে এবং বৈবাহিক উভয় সূত্রে বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্য এই সবুজ পাসপোর্ট। সবুজ পাসপোর্টে বিদেশে গমনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার প্রয়োজন হয়।

নীল পাসপোর্ট

নীল রঙের পাসপোর্টকে বলা হয় অফিসিয়াল পাসপোর্ট। সরকারি কাজে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে হলে এই অফিসিয়াল পাসপোর্ট ব্যবহার করা হয়। এই পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসের অনুমোদন বা গভর্নমেন্ট অর্ডার (জিও) প্রয়োজন হয়।

এই নীল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা অন্তত ২৭টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন।

সাঈদ বলেছেন, ২০১০ সালের আগে এই নীল পাসপোর্ট ছিল না, ওই বছর পর্যন্ত সবুজ পাসপোর্টের মধ্যেই হাতে লিখে সরকারি অনুমোদন দেয়া হতো।

তবে সরকারি কাজ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীরা যদি বিদেশ গমন করতে চান তাহলে তারা নীল পাসপোর্ট ব্যবহার করতে পারবেন না।

লাল পাসপোর্ট

লাল পাসপোর্টকে বলা হয় ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসভার সদস্যগণ, সংসদ সদস্য এবং তাদের স্পাউস অর্থাৎ স্বামী বা স্ত্রী। সেই সঙ্গে উচ্চতর আদালতের বিচারপতিগণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রধান, মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বিদেশে বাংলাদেশি মিশনের কর্মকর্তারা লাল পাসপোর্ট পান।

লাল পাসপোর্ট যাদের আছে, তাদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য কোনো ভিসা প্রয়োজন হয় না। তারা সংশ্লিষ্ট দেশে অবতরণের পর অন-অ্যারাইভাল ভিসা পান। ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট সব দেশেই লাল রঙের হয়ে থাকে।

সূত্র: বিবিসি

(আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post কোন রঙের বাংলাদেশী পাসপোর্ট কাদের জন্য appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
জেলা পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম ইছনের মৃত্যুতে বদরুল ইসলাম শোয়েবের শোক http://amarbangladeshbd.com/covernews/173484 Wed, 29 Apr 2020 20:01:55 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=173484 আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক : সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য, মানব কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত নুরুল ইসলাম ইছনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব। এক শোক... বিস্তারিত »

The post জেলা পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম ইছনের মৃত্যুতে বদরুল ইসলাম শোয়েবের শোক appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

আমার বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক : সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য, মানব কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত নুরুল ইসলাম ইছনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব।

এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, নুরুল ইসলাম ইছন একজন সহজ সরল সাদা মনের মানুষ। মানবিক গুণাবলির কারণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে লালন করে মানব কল্যাণে বেশীর ভাগ সময় ব্যয় করেছে।

তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post জেলা পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম ইছনের মৃত্যুতে বদরুল ইসলাম শোয়েবের শোক appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
“করোনা” না মৃত্যু, কার ভয়ে তুমি পালাচ্ছো? http://amarbangladeshbd.com/covernews/173286 Mon, 27 Apr 2020 16:43:34 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=173286 শেখ খালিদ সাইফুল্লাহ :গত কয়েক দিন আগে Online News ও Face book এর বিভিন্ন পোষ্ট পড়তে গিয়ে দেখলাম- “সিলেট সদর থানার খাদিমনগর ইউনিয়নে একজন লোকের শরীরে ‘করোনা’ ভাইরাস শনাক্ত হওয়া... বিস্তারিত »

The post “করোনা” না মৃত্যু, কার ভয়ে তুমি পালাচ্ছো? appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

শেখ খালিদ সাইফুল্লাহ :গত কয়েক দিন আগে Online News ও Face book এর বিভিন্ন পোষ্ট পড়তে গিয়ে দেখলাম- “সিলেট সদর থানার খাদিমনগর ইউনিয়নে একজন লোকের শরীরে ‘করোনা’ ভাইরাস শনাক্ত হওয়া পর লোকটি Home Quarantine এ না থেকে কিংবা Hospitalized না হয়ে ভয়ে পালিয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন অনেক চেষ্টার বিনিময়ে তাকে আয়ত্বে আনতে সক্ষম হয়েছে”। হায় আফসোস! বিবেক সম্পন্ন মানুষের এ কী হলো? অজান্তে প্রশ্ন জাগে, মানুষ! তুমি এত নির্বোধ কেন? তুমি তোমার স্রষ্টাকে ভয় না করে তাঁর সৃষ্টিকে কেন ভয় করছ? যা থেকে তুমি পালিয়ে বেড়াচ্ছো, তুমি কি ভেবে দেখেছ এওতো আঠারো হাজার মাখলুকাতের বাইরে নয়। আর তুমি হচ্ছো মানুষ, “আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ”। তোমার কারণেই তো অপরাপরের সৃষ্টি। তুমি কেন ভয় করছো? কাকে ভয় করছো? তা থেকেই আজকের এ লিখা…………
আমাদের দেশে এ ধরণের আরো কিছু ঘটনা বিক্ষিপ্তভাবে ঘটেছে যা খবরে প্রকাশ। প্রথমেই বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে সাম্যক আলোচনা, বর্তমান বিশ্ব এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে কাল-যাপন করছে যেখানে দেখতে পাই শুধু আতংক, ভীতি, সন্ত্রস্ততা, আত্মগোপনের লুকোচুরি, চুপিচুপি বিসর্জন ইত্যাদি। একে অপরকে Take Care বা দেখা-শুনাতো দূরে থাক, সান্নিধ্য নেয়াই দোষের কাজ মনে করছে। কেউ তার রোগের কথা অপরকে বলতে ভয় পায় এ ভেবে যে, না জানি আমার দ্বারা পরিবার, সমাজের বড় কোন ক্ষতি হয়ে বসে। বিরাজমান এ অবস্থা থেকে আমাদের দেশ কোন অংশে পিছিয়ে নয় বরং বহুলাংশে এগিয়ে বললে ভুল হবে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো- রোগ পরিলক্ষিত হওয়ায় পরও মানুষ আজ ডাক্তারের কাছে যেতে চায় না কিংবা হাসপাতাল মুখি হয় না, Doctor Chamber, Diagnostic centre, Private Clinic সবই এখন ফাকা সর্বত্র রোগ ও রোগির অভাব অথচ কিছুদিন পুর্বে এসব Service place গুলোতে জনসমাগম এমন হতো, যাতে একজনের ধাক্কায় অন্যজন নুয়ে পড়তো৷ অনেক সুবিধাভোগীর জন্য বকশিশেরও প্রচলন ছিলো তখন। কিন্তু আজ এসব আর কিছুই নেই। কারণ করোনা মহামারী সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বদ্ধমূল থাকা ভয়-ভীতির বহিঃপ্রকাশ জনমনে আতংকের সৃষ্টি করেছে, মানুষ আত্মরক্ষায় দিশাহারা হয়ে উপায়ান্তর না পেয়ে পালাবার পথ খোজছে। এসবের মূলে হচ্ছে আধুনিক বিশ্বের কিছু Global News Media ও Social media এবং Medical System loss এর Local Broadcasting. অনেক হলুদ মিডিয়া জনসাধারণকে সতর্ক করার নামে এমন ভাব-ভঙ্গিতে খবর সম্প্রচার/প্রকাশ করেছে যে, একজন সুস্থ মানুষও বিচলিত না হয়ে পারে না, আর দুর্বল প্রকৃতির মানুষতো এ থেকে আরো অধিক মাত্রায় ভীতসন্ত্রস্ত হওয়া স্বাভাবিক। আবার দেশে হোক অথবা অন্য কোথাও হোক নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়েও অপপ্রচার, যেমন- এ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এটি করতে হয়, সেটি করতে হয়, একাকীত্ব দিন-যাপন করতে হয়, নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়, Quarantine/Isolation থাকতে হয় ইত্যাদি বিষয় Leake out হওয়া। এগুলি মূলত চিকিৎসা শাস্ত্রের আলোচনা ও একজন চিকিৎসকের একান্ত Daignosis উপাত্ত। এছাড়াও কিছু খবর গুজবে রূপ নিয়েছে যেমন- আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিবার পরিজনের কাছ থেকে সরিয়ে অন্য এমন কোথাও নিয়ে যাওয়া হয় যা কেউ জানেনা, আর যদি সে মুসলমান হয় এবং মারা যায় তার জানাযা নিয়েও সংশয়। সংক্রমন প্রতিরোধে কোথাও মৃত ব্যক্তিকে আগুনে জালিয়ে দেয়া হয়েছে- এরকম অনেক আজগুবি খবর। যাই হোক এগুলি সবইতো খবর, আর ‘খবর’ কখনো সত্য হয় আবার মিথ্যাও হতে পারে।
মানুষ! এ খবর শুনে তোমার মনে এত ভয়ের সঞ্চালন। তুমি ভয় করছো স্রষ্টার সৃষ্টিকে, না দেখা এক ভাইরাসকে; যার সংক্রমন হয়তো তোমার ক্ষতি করতে পারে নতুবা তোমাকে ধংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে এইতো আর কী? সন্দেহের অবকাশ সম্বলিত সাময়িকী খবর শুনে আজ তোমার আমার সকলের যদি এহেন অবস্থার সৃষ্টি হয়, তবে সাড়ে ১৪০০ বছর পূর্বে থেকে দিয়ে আসা মৃত্যু ও কিয়ামতের ভয়াবহতা নিয়ে বিভিন্ন সতর্কবার্তা, যা হলো চিরন্তন সত্য ঐশী বাণী, যাতে সন্দেহের কোন অবকাশই নেই, যে কথাগুলি তুমি ছোটবেলা থেকে বার বার শুনে এসেছো আলিম-উলামাদের কাছ থেকে এবং হয়তো নিজেও অনেকবার পড়েছ, এসব জেনে ও শুনে তোমার কী হওয়া উচিত ছিলো? তোমার শরীরে কী রকম ভয়ের সঞ্চালন হওয়া কথা? আজ তুমি পালাচ্ছো ‘করোনা’র ভয়ে, একবার ভেবে দেখেছ কি যখন তোমার মৃত্যুর সময় অবধারিত হবে তখন পালাবে কোথায়?
এ সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেন- যখন তাদের মৃত্যুকাল উপস্থিত হয়ে যাবে, তখন না এক মুহুর্ত পেছনে থাকতে পারবে, না এগিয়ে যেতে পারবে (ঠিক নির্ধারিত সময়ে তুলে নেয়া হবে)। (সূরা ইউনুস : আয়াত ৪৯)
তিনি আরো বলেন- যে মৃত্যু হতে তোমরা পলায়ন করছ তা অবশ্যই তোমাদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তারপর তোমাদেরকে অদৃশ্য ও দৃশ্য সম্পর্কে পরিজ্ঞাত আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে। (জুমুআ : ৬২/৮)
তুমি যেখানেই যাবে মৃত্যু তোমাকে আলিঙ্গন করবেই। সূরা নিসা’য় আল্লাহ তায়ালা বলেন- সুতরাং সুদৃঢ় দূর্গে অবস্থান করলেও মৃত্যু কাউকে ছাড় দিবে না।
এ জগতে না হয় পালিয়ে গিয়ে কোন বন্ধুর আশ্রয় নিবে নতুবা তাকে দিয়ে সুপারিশ করাবে কিন্তু সে দিনের কথা ভেবে দেখছ কি? যে দিন কোন আশ্রয় খোজে পাওয়া যাবেনা তখন করবে কি?
আল্লাহ তায়ালা বলেন- “আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।” (সুরা মুমিন ৪০:১৮)
আর মৃত্যু হলো পালনকর্তার একটি হুকুম তা নির্ধারিত সময়ে আসে। সূরা আল ইমরানে ইরশাদ হয়েছে- “আর কারো মৃত্যু আসতে পারে না আল্লাহর হুকুম ব্যতীত। (মৃত্যুর জন্য) নির্ধারিত সময় লেখা হয়ে গেছে।” (আল ইমরান : ১৪৫)
এ ছাড়াও কোরআন-হাদীসে থাকা ভুরি ভুরি সতর্কবাণী যা তুমি অনেক বার পড়েছো বা শুনেছো। সুতরাং এরপরেও ‘করোনা’র ভয়ে পালাবে? নিঃসন্দেহ ইহা আল্লাহ প্রদত্ত একটি গজব। মানুষকে পরীক্ষার জন্য এ নশ্বর পৃথিবীতে যার সৃষ্টি। ধৈর্যের সাথে এ পরীক্ষায় উত্তির্ণ হতে হবে।

আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সতর্কতার সাথে Overcome করতে হবে। তুমি ভুলে গেলে হবে না সে দিনের কথা, যে দিন তোমার সকল ‘কর্ম’ নিয়ে হাজির হতে হবে মহান রবের সামনে, যেথায় সকল পাপ ও পুণ্যের পুংখানুপুঙ্খ হিসাব প্রকাশ করা হবে, এতে যদি ‘করোনা’ ছাড়া মৃত্যুর ভয়,পুণ্য নিয়ে তোমাকে মাওলা পর্যন্ত পৌছে দিতে পারে তা হলেইতো তুমি সৌভাগ্যবান; আর যদি মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে ভাইরাসের ভয়,পাপ নিয়ে হাজির হতে হয় তবে তোমার কপালে দুঃখ বইকে কিছু নেই। তখনতো কিছুই করার থাকবে না, না পালাবার সুযোগ পাবে না ফিরে আসার। লক্ষ্য করার বিষয় যে, যাদের অন্তরে এ শিক্ষা বদ্ধমূল হয়ে যাবে, তাদের ভীরুতার অবকাশ কোথায় থাকতে পারে এবং শৌর্য ও সাহসিকতার পথেইবা তাদের জন্য কি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে?
পরিশেষে বলি-
“আর নয় ‘করোনা’কে ভয়, করো মৃত্যুকে ভয়৷
সচেতনতাই হবে সুরক্ষা, শুভ পরিণাম নিশ্চয়।”
আমাদের প্রত্যেক মানুষের মাঝে মৃত্যুর ভয় থাকা জরুরী। কারণ মৃত্যুর ভয় মানুষকে সকল অন্যায় থেকে বাঁচাতে পারে। পুণ্যের পাল্লা ভারি করে তোলে। আল্লাহ সবাইকে সহীহ বুঝ দান করুন এবং সে অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন !!

লিখক:
শিক্ষক, ঢাকাদক্ষিণ মাদরাসা, গোলাপগঞ্জ, সিলেট

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post “করোনা” না মৃত্যু, কার ভয়ে তুমি পালাচ্ছো? appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
কমিউনিটি সংক্রমণে করোনা ভাইরাস http://amarbangladeshbd.com/headline/173285 Mon, 27 Apr 2020 16:25:29 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=173285 মতিউল বারী খুর্শেদ  : বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে কমিউনিটি সংক্রমণ হয়ে গেছে। এটি ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো টেস্ট আর ঘরে অবস্থান করা। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন ফাঁস... বিস্তারিত »

The post কমিউনিটি সংক্রমণে করোনা ভাইরাস appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

মতিউল বারী খুর্শেদ  : বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে কমিউনিটি সংক্রমণ হয়ে গেছে। এটি ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো টেস্ট আর ঘরে অবস্থান করা। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন ফাঁস হওয়ার পর বিদেশীরা দলে দলে বিশেষ বিমানে করে ঢাকা ত‍্যাগ করছেন। এরমধ্যে রয়েছেন শতাধিক কূটনীতিকও। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সমগ্র বাংলাদেশকে ঝুঁকি পূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
সাধারণ ছুটি বা সন্ধ্যার পর কঠোরতায় জনগণকে ঘরের মধ্যে রাখা যাবে না। ঘরে রাখার জন্য প্রয়োজনে কারফিউ। সরকারের উচিত হবে এখনই কারফিউ জারি করা। একক, দশক, শতক, কদিন পর হবে হাজারে হাজার। কারণ আমরা এখনও রাস্তাঘাট, হাট-বাজারে ঘুরে বেড়াই।
বড় দুঃসময় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। অর্থনৈতিক সংকট, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সব মিলিয়ে এক অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছি।
তবে এই মুহুর্তে অর্থনীতির কথা চিন্তা না করে বর্তমান এই মহামারীর বিপদ কিভাবে কাটানো যায় সেটাই চিন্তা করা উচিত৷ সবকিছুই যেহেতু বন্ধ সেখানে সাধারণ ছুটি নাম দিয়ে এটাকে হালকা করা হচ্ছে কেন? মনে রাখতে হবে, এটি একটি সাময়িক মন্দা, মহামারী চলে যাবার পর সবই দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী৷
বাংলাদেশে বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোকে দ্রুত করোনা টেস্টের সুযোগ করে দেয়া হোক। সকল বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে টেস্টের প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা করা হোক। এজন্য প্রয়োজন দক্ষ জনবল, চিকিৎসক ও উপযুক্ত পিসিআর ল‍্যাব। আমরা সব জায়গায় পিছিয়ে আছি। ভারত পাকিস্তানে বেসরকারি হাসপাতালগুলো করোনা পরীক্ষা শুরু করেছে।

নইলে সরকারি হিসেবে হয়তো করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাবার সংখ্যা হবে ৮, ১০ ও ১২ জন। আর করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাবে আরও ৮, ১২ ও ১৫ জন। কারণ আমরা তো টেস্টই করছি না। দৈনিক দশ হাজার মানুষের টেস্ট হলে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা অন্তত বোঝা যেতো।

ব্যাপকহারে পরীক্ষা আরো এক মাস আগে থেকেই শুরু করা উচিত ছিল। বিমানবন্দরেই পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল। কিন্তু কোনো কিছুই করা হয়নি সঠিক সময়ে, সঠিকভাবে। এতদিন ‘নো টেস্ট নো করোনা’ এই নীতি আমরা অনুসরণ করেছি।

আমরা সবসময় আত্মতুষ্টিতে ভুগি এইভেবে যে- বাংলাদেশে কখনও ইতালি-আমেরিকার মতো এতো মানুষ আক্রান্ত হবে না। এমন ধারণা ইতোমধ্যে ভুল প্রমাণিত হতে শুরু করেছে।

অবাক হওয়ার কিছুই নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্হাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশে করোনার ভয়াবহতা নিয়ে ইতিমধ্যে নানা আশংকা ব‍্যক্ত করেছে। ১৪ এপ্রিল ওয়ার্ল্ডোমিটারের দেওয়া তথ‍্য অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশে টেস্টের পরিমাণ সর্বনিম্ন। প্রথমদিকে এদেশে টেস্ট করা হত, মোটে ত্রিশ-চল্লিশটা। এখন করা হচ্ছে ১৫০০ – ২০০০। গড়ে প্রতি নয় জনে একজন আক্রান্ত ধরা পড়ছে। তাই বলা যায়, টেস্ট যদি একদিনে ১০হাজার করা হয় তাহলে আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াতে পারে প্রায় ১৫০০। তাহলে এখন উপায়?

উপায় একটাই, টেস্টের পরিমান বাড়িয়ে দেওয়া। সবার উদ্দেশ্য বলব, জ্বর, কাশি, শ্বাসকস্ট হলেই হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ফোনে জানিয়ে টেস্ট করানোর ব‍্যবস্থা করুন। সরকারকে বলবো, যত বেশি পারা যায় টেস্টের পরিমান বাড়িয়ে দিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, করোনা ( কোভিড ১৯ ) ভাইরাসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে টেস্টের কোনো বিকল্প নেই।

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post কমিউনিটি সংক্রমণে করোনা ভাইরাস appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
নতুন কিছু পরিভাষা ও আমাদের বাস্তবতা http://amarbangladeshbd.com/covernews/172584 Tue, 21 Apr 2020 14:03:10 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=172584 শেখ খালিদ সাইফুল্লাহ :  الحمد لأهله والصلاة علي أهلها اما بعد؛ ইদানিং সমাজে কিছু নতুন নতুন শব্দ বা বাক্যের প্রচলন শুরু হয়েছে যার বাস্তবতা অনেক কে দূরে ঠেলে দিচ্ছে আবার... বিস্তারিত »

The post নতুন কিছু পরিভাষা ও আমাদের বাস্তবতা appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

শেখ খালিদ সাইফুল্লাহ :  الحمد لأهله والصلاة علي أهلها اما بعد؛

ইদানিং সমাজে কিছু নতুন নতুন শব্দ বা বাক্যের প্রচলন শুরু হয়েছে যার বাস্তবতা অনেক কে দূরে ঠেলে দিচ্ছে আবার অনেকের মধ্যে সম্পর্কের চ্ছিন্ন ঘটাচ্ছে ৷এবং অনেকেই না বুঝে তার অপব্যবহার করছে ৷ এদের একটি হলো “সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন” কথাটি একবিংশ শতাব্দির নতুন সংস্করণ,যা সাধারণতঃ একে অপরের পাশাপাশি না থাকা বা একসাথে না চলা অর্থে ব্যবহার করা হয় ৷ অতঃপর কেউ কেউ নির্দিষ্ট দূরত্বে অর্থাৎ পরস্পরে ১ মিটার বা ৩ ফুট দূরে সহোবস্থান করা বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ৷ তেমনি ভাবে ইংরেজী শব্দ “Lockdown” যার বাংলা অর্থ— তালাবদ্ধ, অবরোদ্ধ অর্থাৎ:- জরুরী অবস্থায় নেওয়া একটি সুরক্ষা ব্যবস্হা অথবা কোন স্থানে বা ভবনে প্রবেশ করতে বা বের হতে বাধা দেওয়া অথবা কাউকে কোন নির্দিষ্ট স্থানে আটকিয়ে রাখা বা ঢুকতে না দেওয়া ইত্যাদি ৷ অন্য একটি শব্দ “Home Quarantine” এতে Quarantine অর্থ নিরোধন অর্থাৎ: সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঘরে অবস্থান করা, নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা,অন্যভাবে বললে রোগ সংক্রমণের ভয়ে মেশামেশি নিষিদ্ধ করা,সঙ্গরোধ করা,স্বাভাবিক সম্পর্ক বা যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করা ইত্যাদি,বাংলা একাডেমীর অভিধান অনুযায়ী Quar-an-tine (কোয়ারানটীন) বলতে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে মানুষ অথবা কোন প্রাণীকে সঙ্গ না দিয়ে আলাদা বা কোথাও আটকে রাখার ব্যবস্থা /এই ব্যবস্থার সময়কাল; কে বুঝায় ৷ এগুলি প্রায়ই সমার্থক শব্দ কিন্ত ক্ষেত্রবিশেষ ব্যবহার ভিন্ন ৷ সবকটিই পরস্পরকে রক্ষা বা নিজেকে সুরক্ষার অর্থে ব্যবহৃত হয় ৷ বিগত শতাব্দিগুলোতে এসবের তেমন একটা প্রচলন হয়েছে বলে আমার জানা নেই ৷ তবে বিশ্বব্যাপী “করোনা” নামের এমন এক আত্মঘাতী ভাইরাস দ্রুতগতিতে বিস্তৃত হচ্ছে, যার জন্য এখনো পর্যন্ত কেউ তৈরী করতে পারেনি কোন Antibiotic না কোন Vaccine৷ আবিষ্কার করতে হচ্ছ নতুন কিছু, অনেক চেষ্টা বা শ্রম ব্যয় করে গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা,হন্য হয়ে খুজছেন আত্মরক্ষার পথ ৷ এ ক্ষেত্রে আশাতীত সফলতা না আসলেও আপাততঃ নতুন করে প্রচলন শুরু হয়েছে বর্ণিত শব্দগুলির ৷ নতুন করে প্রচলন বললাম এজন্য ,কারণ ১৪০০ বছর পূর্বে নবীয়ে আরাবী সা, এগুলোর ব্যবহার করেছিলেন ঠিকই,পরবর্তীতে কিছু কাল রাজা-বাদশাহদের অবরুদ্ধ কেল্লা বা দুর্গ ও জাহাজের আক্রান্ত যাত্রীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও আজ অবধি তা কেবল Dictionary বা অভিধানেই লিপিবদ্ধ রয়েছে , এর ব্যবহার আমাদের সমাজে ছিলো না বললে ভুল হবেনা ৷বিশেষজ্ঞদের ধারনা প্রচলিত হওয়া এ শব্দগুলির যথার্থ বাস্তবায়ন হলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যাবে ৷ প্রশ্ন উঠে আমাদের নিম্ন আয়ের দেশে এর যথাযত প্রচলন কী সম্ভব ?

উত্তর পু্র্বে রোগ সম্পর্কে সাম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন বলে মনেকরি ৷ বিশ্বের সকল চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে একমত যে “করোনা” ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগটি একটি সংক্রমিত রোগ অর্থাৎ ছোয়াচে রোগ,আর ভাইরাসটি সংক্রামক, এর দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তি বা প্রাণীর সংস্পর্শে যে কেউ থাকলে বা স্পর্শ করলে সেও এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয় অথবা করোনাবাহী কোন বস্তুতে স্পর্শ করলে তা শরীরের মধ্যে ত বিস্তার লাভ করে৷

সহজ ভাবে বললে ইহা ইলেকট্রিক শকের মতো৷ বুঝার জন্য বলছি যেমন,কেউ উন্মুক্ত বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে ছটফট খাচ্ছে, রক্ষা করার জন্য অন্যজন তাকে ঝাপটে ধরলো তাদেরকে বাঁচানোর জন্য আরো কয়েকজন ধরাধরি করলো,এদের একজন নিজেকে সুরক্ষিত রেখে অপরের উদ্ধারে এগিয়ে এসেছিল৷

কিছুক্ষন পর দেখা গেলো তাদের দুইজন মারা গেছেন এবং বাকীরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতলে৷ আর সুরক্ষিত ব্যক্তি সুস্থই রহিলেন৷
কী বুঝলেন? এখানে ইলেকট্রিক শক একজন থেকে অন্যজনের গায়ে যেভাবে দ্রুত সঞ্চালন হয়েছে বা ছড়িয়েছে ঠিক তেমনি ” করোনা ” ভাইরাসের সংক্রমন ৷ আবার শারীরিক বিবেচনায় তা থেকে কেউ কেউ বেচে গিয়েছে আবার অনেকই মৃত্যু কোলে ঢলে পড়েছে৷ “করোনা” দ্বারা সংক্রমিত ব্যক্তির অবস্থাও তাই ৷ উপযুক্ত চিকিৎসা ও শারিরীক ক্ষমতার ভিত্তিতে সুস্থ হতে পারেন আবার নাও হতে পারেন ৷এক্ষেত্রে সতর্কতা ও সচেতনা অবলম্বন হলো আত্মরক্ষা বা সুরক্ষার মূল৷ এর পরেও থেকে যায় মৃত্যুর ভয় ৷ এবার সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসার পালা ৷ বান্দা তার কাজে- কর্মে চেষ্ঠার শেষ প্রান্তে পৌছতে সৃষ্টিকর্তার হাওলা হওয়া বা আশ্রয় চাওয়া ৷ এরই নাম তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ বা আল্লাহ উপর ভরসা৷ এই ছোয়াচে বা সংক্রামন থেকে নিজেকে Protect করার First Aid হচ্ছে তাই যা নতুন ভাবে প্রচলিত হয়েছে ৷ মানুষকে ভয় না দেখিয়ে বিষয় গুলি বুঝানো৷ বাড়াবাড়ি বা অতিমাত্রায় ক্ষমতা প্রয়োগ না করে যে পন্থায় সচেতনতা সৃষ্টি হয় তা অবলম্বন করা৷ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত বা উপসর্গ পরিলক্ষিত ব্যক্তি বা বস্তুর সান্নিধ্য না নেয়া বা দূরে থাকা,তা যেভাবেই হোক এ পর্যন্ত ক্ষ্যান্ত থাকা আমাদের প্রয়োজন৷ এতে অযথা হয়রানী বা বাধা-বিঘ্নতা সৃষ্টি না করাই ভালো৷ অন্যথায়,কে জানে এর প্রভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায়ের নামে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ঘটে না যায় ৷ Lockdown এর নামে knockdown প্রাদুর্ভাব বেড়ে না যায়, Home Quarantine এর নামে Home Quareel time হয়ে না যায় ৷ তবে হা! প্রয়োগ-ব্যবস্থাপনায় বহিঃবিশ্বের উপমা দেয়া যায়৷ ভৌগলিক অবস্থান,কাল-পাত্র, উন্নত-অনুন্নত, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম,প্রযুক্তিগত পারদর্শিতা ইত্যাদি সব মিলিয়ে তাদের অনুসরণ করা দোষের নয় কিন্তু সংখ্যাধিক্য জনতার দেশে তা বাস্তবায়ন দুষ্কর৷ এক্ষেত্রে বাঙ্গালী যে সহজ ভাষায় তাদের করনি বুঝবে তা বলেই সচেতন করতে হবে ৷ জনসাধারণকে তারমতো করে চলতে দিতে হবে ৷ তাছাড়া আমাদের দেশের শতভাগ লোক শিক্ষিতও নয় যে, পুর্ব থেকেই বর্ণিত শব্দগুলির সাথে পরিচিত ৷ সুতরাং এগুলোকে আমলে আনতে সময়ের ব্যাপার৷

পরিশেষে, ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্বের এ ক্রান্তিকালে আসুন আমরা সবাই আমাদের ঈমানকে তথা আল্লাহর উপর বিশ্বাসকে আরো মজবুত করি, ‘করোনা’র কারণে আমাদের ঈমান যাতে দুর্বল না হয়৷ ভালো বা উত্তম কাজ বিশেষ করে ইবাদাত – বন্দেগী গুলি বেশি বেশি করে করি৷

যাতে করে আমাদের পাপের পাল্লা আর যেন ভারি না হয় ৷ একে অপরকে সৎ উপদেশ দেই, ভালো কাজে উৎসাহিত করি ৷ আল্লাহর আজাব ও গজবের ব্যাপারে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করতঃ অপরকে সতর্ক হওয়ার উৎসাহ প্রদান করি, নিজে সচেতন হই এবং অপরকে সচেতন করি৷ বিপদে ধৈর্য্য ধারণ করি এবং অপরকেও ধৈর্য্য ধারণের পরামর্শ দেই ৷ আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্য বুঝার ও তার উপর আমল করার তাওফীক দান করুন ৷ আমীন!
শেখ খালিদ সাইফুল্লাহ
শিক্ষক
ঢাকাদক্ষিণ মাদরাসা, গোলাপগঞ্জ, সিলেট৷

 (আমার বাংলাদেশ/ আজিজ  খান // )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post নতুন কিছু পরিভাষা ও আমাদের বাস্তবতা appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমালোচনা কেন? http://amarbangladeshbd.com/covernews/172479 Mon, 20 Apr 2020 12:41:06 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=172479 গোলাম সোবহান চৌধুরী দীপন :দেশের একটা এলাকাকে সমালোচনা করে পার পাওয়া যাবে কি, যেখানে সমগ্র দেশের বৃহৎ সমাজ মননে পশ্চাৎপদ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অজ্ঞতা গেড়ে বসেছে। বর্তমান সংকটকালীন সময়ে বহু... বিস্তারিত »

The post ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমালোচনা কেন? appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

গোলাম সোবহান চৌধুরী দীপন :দেশের একটা এলাকাকে সমালোচনা করে পার পাওয়া যাবে কি, যেখানে সমগ্র দেশের বৃহৎ সমাজ মননে পশ্চাৎপদ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অজ্ঞতা গেড়ে বসেছে। বর্তমান সংকটকালীন সময়ে বহু শিক্ষিত লোকজনের আচরণ ও কথাবার্তায় দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, অবৈজ্ঞানিক চিন্তা-ভাবনা, কুসংস্কার ও কূপমণ্ডূকতা প্রকাশ হতে আমরা দেখি। চিকিৎসা সংক্রান্ত দুর্যোগে বিজ্ঞানমনষ্ক চিন্তার বদলে তাদের মধ্যে অবিদ্যার ভাবনারাজি বিরাজমান পরিলক্ষিত হচ্ছে। মৃত্যুমুখী আতংকজাত স্নায়ুবৈকল্যে তাদের কাণ্ডজ্ঞানহীন আবুল-তাবুল বকবকানি শোনা যায়। শহুরে সভ্যতার মুখোশের আড়ালে থাকা তাদের ভীতসন্ত্রস্ত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন স্বার্থপর এবং অমানবিক পরিচয় বেরিয়ে পড়ছে। মানুষ তা দেখছেও। তারা গিয়েছে প্রকাশ্যে এবং কেউ কেউ মনে মনে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়’ ছিলেন শরিক-সহযাত্রী। সাংস্কৃতিক মানের তফাত কোথায়।
আতংক ও বিকারগ্রস্ত সেইসব মানুষ যেন চলমান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিক চিন্তার সামর্থ্যটুকু হারিয়ে বসেছেন। অশিক্ষা-কুশিক্ষায় জর্জরিত গ্রামীণ মানুষের প্রতি সেইসব মানুষের পক্ষপাত দুষ্ট শহুরে অবজ্ঞা মানুষ দেখছে। একবারও ভেবে দেখেছেন কি, দেশের সাধারণ মানুষকে কুসংস্কার, পশ্চাৎপদতা ও অজ্ঞতার হাত থেকে উদ্ধার করার জন্যে আমরা কি করতে পেরেছি। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তারা বর্তমান অবস্থার মধ্যে পতিত হয়েছে এবং কেন এবং কোন অবস্থায় মানুষ অন্ধ-আধ্যাত্মবাদ ও অজ্ঞতার বেড়াজালে আটকে আছে সেটা কি বুঝতে চেয়েছি। আলোকিত জীবনের মানে ও জীবনের প্রতি দায়িত্ববান-যত্নবান থাকার অর্থ কি তারা জানতে শিখেছে এবং যাপিত জগতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আধুনিক শিক্ষা-জ্ঞান ও সুযোগ কি তারা পেয়েছিল? মানুষ স্বাভাবিক ভাবেই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ যাত্রায় কিছু একটা আকরে ধরে সাহস-শক্তি সঞ্চয় করে বাঁচতে চাইবে। এটাই স্বাভাবিক।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রতি আমাদের আচরণ, শ্রমজীবী মানুষের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, গ্রামের সাধারণ মানুষের প্রতি আমাদের অবজ্ঞা থেকে আমাদের মনোভাব কি বেরিয়ে পরে না? সেটা কেবল সমাজের একার দুর্বলতা নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের দীনতা দৈন্যদশাও বটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের যে হৈচৈ সেটা একইরকম ‘অবজ্ঞা’ প্রদর্শন এবং আমাদের প্রকৃত অবস্থা না বুঝতে চাওয়ারই ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। অন্য অর্থে নিরাপত্তার চিন্তা থেকে স্বার্থপর মধ্যবিত্তের স্নায়ু বৈকল্যজাত প্রতিক্রিয়া।
যদি সিলেট অথবা চট্টগ্রামের কোন এলাকার কোন ‘বড়’ হুজুর ইহধাম ত্যাগ করেন তবে কি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দশা হবে না? তো কি করবেন!
বুদ্ধিজীবীর দায় অনেক। তাকে মুখোশের আড়ালে থাকতে হয়, ব্রাহ্মণ্যভোজে আধিকারিক হতে হয়, বিনাযুদ্ধে যুদ্ধজয়ী বীর হতে হয়! বর্তমানকালে ধর্ম-কূল-বর্ণ-গন্ধহীন ‘বুদ্ধিজীবী’রা যে কতটা দৈন্যদশাগ্রস্ত ও প্রভাবহীন তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিয়ে যায়।
গোলাম সোবহান চৌধুরী দীপন: আইনজীবী।

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমালোচনা কেন? appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
আসুন একসাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলি দুর্ভাগ্য কে ভুৃমি ছেড়ে না দিয়ে http://amarbangladeshbd.com/covernews/171968 Wed, 15 Apr 2020 11:34:16 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=171968 কামিল আহমদ:  চলছে বিশ্বব্যাপী কোভিড ১৯  করোন ভাইরাস যে মহামারী এসে স্তব্ধ করে দিয়েছে বিশ্ববাসীকে পৃথিবীর জৌলুসপুর্ন সহর গুলোআজ ভূতোড়ে অবস্থা বিরাজমান, নভেল করোনা ভাইরাসের ফলে বিশ্বের অর্থনীতিতে বসিয়েছে কালো... বিস্তারিত »

The post আসুন একসাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলি দুর্ভাগ্য কে ভুৃমি ছেড়ে না দিয়ে appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
কামিল আহমদ:  চলছে বিশ্বব্যাপী কোভিড ১৯  করোন ভাইরাস যে মহামারী এসে স্তব্ধ করে দিয়েছে বিশ্ববাসীকে পৃথিবীর জৌলুসপুর্ন সহর গুলোআজ ভূতোড়ে অবস্থা বিরাজমান, নভেল করোনা ভাইরাসের ফলে বিশ্বের অর্থনীতিতে বসিয়েছে কালো থাবা, সামাজিক ভাবে মানুষ আজ বিচ্ছিন্ন। পক্ষান্তরে সাম্রাজ্যবাদীর পক্ষপুটচ্ছায়ায় পুষ্ট সার্থান্বেষী পাইকার মহাজন আর কালোবাজারি মজুতদারের দল পতিক্রিয়াশীল শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে দেশের লোকের রক্ত চোষে খাচ্ছে, গরীব লোকে চাল চুরির হিড়িক চলছে, মাটিখুড়ে এখন লোটপাটের চাল মিলছে, খাদ্য ঘাটতি না থাকলেও শহরে শহরে খাদ্যের জন বিক্ষোভ চলছে। দেশব্যাপী মন্বন্তরের করাল চোয়া নেমে আশায় কার্যত প্রদক্ষেপ গ্রহন এখনিই না নিলে নিশ্চিত চুড়ান্ত ক্ষতি।

করোনা সংকট মোকাবিলায় ২৬ মার্চ থেকে সরকারি ১০ দিনের ছুটি ঘোষণার পরে আরও সাত দিন বাড়ানো হয়, যা এখন পর্যন্ত রয়েছে দেশের একশহর থেকে অন্য শহর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন । এখনপর্যন্ত এই দীর্ঘ সময়ে কাজ হারানো গরিব মানুষগুলো কীভাবে বেঁচে আছেন? কোথায় আছেন?

এখন পর্যন্ত গড়ে একটি ইউনিয়নে দেড় টনের মতো ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হয়েছে; যা দিয়ে দেড় শ মানুষকে ত্রাণ দেওয়া সম্ভব।অর্থাৎ ওয়ার্ড প্রতি ১৫ জন পেয়েছে ১০ কেজি করে, বাকিদের তাহলে কী হবে?

বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের ৮৫ শতাংশ কাজ করেন অনানুষ্ঠানিক খাতে। আনুষ্ঠানিক খাতে মাত্র ১৫ শতাংশ। আনুষ্ঠানিক খাত অর্থাৎ শিল্পকারখানা বন্ধ থাকলে হয়তো সরকার বা মালিকপক্ষ কিছুদিন মজুরি দেবে। কিন্তু অনানুষ্ঠানিক খাতের লাখ লাখ শ্রমিকের সেই সুযোগ নেই। অর্থাৎ ২৬ মার্চ থেকে তাঁরা কার্যত কর্মহীন ।

ঢাকা শহরে রিকশাচালক আছেন ১১ লাখ। এক-তৃতীয়াংশ রিকশাচালকের কোনো ভূমি নেই। এটা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার রাইটসের (বিলস) এর জরিপ অনুযায়ী। সে হিসেব দেখলে বুঝা যায় প্রত্যেক শহরে তাদের সংখ্যা কত?

ওপর দিকে ব্র্যাকের জরিপ বলছে, বস্তির ৪০ শতাংশ মানুষের জীবিকা অস্থায়ী ও তাদের বেশির ভাগই দিনমজুরি করেন।
এবার হবে তো নবান্ন? বৈশাখী ব্যুরো ধান কি উঠবে কৃষকের গোলায়? আমন মৌসুমে কৃষি ভুর্তুকি এখনো দেয়া হয়নি কৃষককে। ফলে গত মৌসুমের তুলনায় এখানেও লক্ষমাত্রা ঘাটতির মুখে।
কৃষিতে এখনই বড় অভিঘাত না পড়লেও বিপদ কিন্তু সামনে,এদিকে বিপাকে পড়েছেন দুধের খামারিরা। কেবল সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরেই ২৫ হাজার খামারি আছেন, যাঁরা দিনে ১০ লাখ টন দুধ উৎপাদন করতেন। পরিবহন বন্ধ থাকায় তাঁরা খামারিদের কাছ থেকে দুধ কিনতে পারছেন না। ফলে খামারিদের মাথায় হাত। পুরো দেশের চিত্রটা তাহলে কি দাড়ালো?

পোলট্রিশিল্পের সঙ্গে জড়িত যে ৪০ লাখ শ্রমিক, তাঁরাও বেকার হয়ে পড়েছেন। সরবরাহ বন্ধ তো উৎপাদনও বন্ধ।
দেশে তৈরি পোশাক খাতে ৪৫ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। সরকার তাঁদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার সহায়তা তহবিল গঠন করেছে।
সিএনজি চালক মটরসাইকেল উবার-পাঠাও চালকরা রয়েছেন বিপাকে।
পরিবহন খাতে কাজ করেন ৮০ লাখ শ্রমিক। তাঁদের সহায়তায় কেউ এগিয়ে আসেননি। যে নেতারা ইউনিয়নের নামে বাসের শ্রমিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করতেন, তাঁরাও নিশ্চুপ। এই খাতের বেশির ভাগ শ্রমিকই কাজ করেন ‘ঠিকা’ হিসেবে। ট্রিপ দিলে টাকা। ট্রিপ বন্ধ থাকলে টাকাও বন্ধ। দোকানে, রেস্তোরাঁয় যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের অবস্থাও এর থেকে ভিন্ন নয়। দোকান মালিক সমিতির দাবি, সারা দেশে ৯৭ লাখ ১৩ হাজার দোকান-কর্মচারী আছেন। সমিতি সরকারের কাছে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল চেয়েছে।
চা-শিল্পে নিয়োজিত কয়েক লাখ শ্রমিকের জীবনও অনিশ্চিত।
যাঁদের নিশ্চিত আয় আছে, তাঁরা ১৫ দিন থেকে এক মাস ‘ঘরবন্দী’ থাকলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু গরিব মানুষগুলোর তো এক দিনও ঘরে থাকার উপায় নেই। এই রোজগার হারানো মানুষগুলোর কাছে করোনার চেয়েও ভয়ংকর হলো ক্ষুধা। এ কারণে কোথাও ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার খবর পেলে তাঁরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন। স্বাস্থ্যবিধির ধার ধারেন না।
দেশের বড় বড় শহরে ত্রাণের জন্য বিক্ষোভ হয়েছে। দশটাকার (ওএমএস) চাল বিতরণের কার্যক্রম এখন স্থগিত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পক্ষ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছে ৫০০ জন নিম্ন আয়ের মানুষের তালিকা চাওয়া হয়। তাঁরা তালিকাও দিয়েছেন। কিন্তু তালিকার বিপরীতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছায়নি। একজন কাউন্সিলর বলেছেন, তাঁর ওয়ার্ডের এক কল্যাণপুর বস্তিতেই আছে ২ হাজার ৬০০ পরিবার। অথচ সিটি করপোরেশন ৫০০ জনের তালিকা দিতে বলেছে। সূত্র প্রথম আলো, এই যদি আলো ঝলমলে ঢাকা শহরের অবস্থা হয়, দেশের অনন্য জায়গার চিত্রটা অনুমান করা কঠিন নয়।

বাংলাদেশে এখনো ২২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। সংখ্যার হিসাবে প্রায় চার কোটি। মৌলিক চাহিদার অনেক কিছুই তাদের অপূর্ণ থেকে যায়। হাড়ভাঙা পরিশ্রমের বিনিময়ে কোনোরকমে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকে। করোনা সংকট তাদের রোজগারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার যে পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে, তাতে চাহিদার ২৫ শতাংশও মিটবে না। ৭৫ শতাংশ বঞ্চিত থেকে যাবে।
অবিলম্বে সরকারের ত্রাণ পরিকল্পনায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। যত দিন করোনা সংকট থাকবে, তত দিন কাজ হারানো সব অভাবী মানুষের কাছে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো পৌঁছাতে হবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি প্রত্যেক মানুষকে ছয় মাস বিনা পয়সায় চাল দিতে পারে, আমরা কেন পারব না?

সুতরাং বিপর্যয় ও মন্দার এই সময়ে কাদের বিশেষ সহায়তা লাগবে এবং কী ধরনের সহায়তা লাগবে, সে পরিকল্পনা তৈরি করে দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়া হউক

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, করোনা পুনরুদ্ধারে সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে, যা জিডিপির ২ শতাংশের সমান। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের মতো দেশ তাদের জিডিপির ১১-১২ শতাংশের মতো পুনরুদ্ধার কর্মসূচিতে অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইএমএফের দুই প্রধান তাঁদের লেখায় পরিষ্কারভাবে বলেছেন, সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ। চিকিৎসক ও নার্সদের বেতন-ভাতা, সহায়ক হাসপাতাল ও জরুরি কক্ষ তৈরি, দ্রুত বানানো ও স্থানান্তর করা যায় এমন ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা, সব ধরনের নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা করা এবং নিয়মিত হাত ধুতে হবে এমন অতিসাধারণ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাওয়া—এসবই হচ্ছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বিনিয়োগ। আর জীবিকা বাঁচাতে প্রয়োজন লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদান। এর মধ্যে থাকবে নগদ সহায়তা, বেতনে ভর্তুকি, স্বল্পমেয়াদি কাজের ব্যবস্থা করা, বেকারদের জন্য কর্মসূচি তৈরি এবং ঋণ করার ব্যয় কমানো। আবার যেসব দেশে অনানুষ্ঠানিক খাত বড়, যাদের জীবিকা প্রতিদিনকার মজুরির ওপর নির্ভরশীল, সেসব দেশে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কেননা, সেখানে সামাজিক দূরত্ব পালন করে যাওয়া কঠিন একটি কাজ।
বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির বড় অংশই কাজ করে অনানুষ্ঠানিক খাতে। সুতরাং বিপর্যয় ও মন্দার এই সময়ে কাদের বিশেষ সহায়তা লাগবে এবং কী ধরনের সহায়তা লাগবে, সে পরিকল্পনা তৈরি করা হবে প্রথম কাজ। তা ছাড়া, কেবল রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল অর্থনীতিকে চাঙা করতে পারবে না। কাদের সহায়তা দেওয়া হবে, এই কাজটি ঠিক করার পর দুটি প্রশ্নের সমাধান করতে হবে। যেমন অর্থ আসবে কোথা থেকে এবং সেই অর্থ সঠিক মানুষটির কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া কী হবে।

করোনাভাইরাস জনিত দুর্যোগ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে অবিলম্বে দেশের বরেণ্য অর্থনীতিবিদদের সমন্বয়ে একটি আপতকালীন অর্থনৈতিক টাস্ক ফোর্স গঠনেরও দাবি করেছিল বিএনপি এগুলো আমলে নিয়ে, আসুন দুর্ভাগ্য কে ভুৃমি ছেড়ে না দিয়ে, একসাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

কামিল আহমদ,লেখক ও সাংবাদিক।

The post আসুন একসাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলি দুর্ভাগ্য কে ভুৃমি ছেড়ে না দিয়ে appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>
করোনাকালের ভাবনা http://amarbangladeshbd.com/covernews/171884 Tue, 14 Apr 2020 14:41:36 +0000 http://amarbangladeshbd.com/?p=171884 মো. নুরুল হক :বর্তমান সারাবিশ্বকে নাড়া দেয়া এক মহামারীর নাম করোনা ভাইরাস। যা নিয়ে গোটা বিশ্বজুড়ে চলছে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা। মহামারি ‘করোনা ‘র এ বিস্তৃতিকালে মানুষের ভাবনারও চরম বিস্তৃতি ঘটছে, ভাবনাভেদে... বিস্তারিত »

The post করোনাকালের ভাবনা appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>

মো. নুরুল হক :বর্তমান সারাবিশ্বকে নাড়া দেয়া এক মহামারীর নাম করোনা ভাইরাস। যা নিয়ে গোটা বিশ্বজুড়ে চলছে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা।
মহামারি ‘করোনা ‘র এ বিস্তৃতিকালে মানুষের ভাবনারও চরম বিস্তৃতি ঘটছে, ভাবনাভেদে এর রকমফেরেও চরম উন্নতি/ অবনতি/উগ্রতার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে!
চুরির ক্ষেত্রে ঐতিহ্যের স্মারকধারী ত্রাণচোরেরা ভাবছে- ‘আমাদের নিজেদের/ বাবাদের ঐতিহ্যগত ব্যবসাটাকে পূনর্জন্ম দানকরার জন্যে এ করোনাকালটা-ই উত্তম সময় ‘।
সবসময় তো আর এমন সুযোগ আসেনা/ আসবেনা।সেই কবে ৭৪-৭৫ সালে একবার এ সুযোগ এসেছিল।আর এবার ২০২০ সালে করোনাকালে তাঁরা এমন সুযোগ পেল, যদিও তাঁরা এরই মধ্যে অনেক পুকুর- চুরি ‘র ঘটনাও ঘটিয়েছে।
এ করোনাকালে চাল/ ত্রাণ চোরদের মাথায় চুরির মাল গোপণ করে রাখার অভিনব সব ভাবনার উদ্ভব ঘটিয়ে নিজের ঘরের মেঝেতে গর্ত খুঁড়ে সেখানটায় ত্রাণের চাল লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করতেও কিন্তু কার্পণ্য করেনি।

এ করোনাকালে কারো-কারো ভাবনায় নিজ চেতনার উগ্র বহিঃপ্রকাশও অত্যন্ত প্রকট ও নিকৃষ্টতমভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে।
এক চেতনাধারী আরেক চেতনাধারীর পা কেটে উল্লাসনৃত্য সমেত মিছিল করে ‘জয় বাংলা ‘শ্লোগানের বারটা বাজিয়ে ছাড়ছে!

আরেকদল নব্য চেতনাধারী ভাবছে- নিজের মরিচাপড়া চেতনাটাকে ঝালাই করে নেয়ার এখন-ই সময়।তাই তারা মৃতের কবরকে ঝাড়ুপেটা করে উল্লাস প্রকাশের মাধ্যমে কারো-কারো সু- নজরে আসার চেষ্টা করছে।

করোনাকালের এ অখন্ড অবসর সময়( যদিও দুঃসময়) কে কেউ-কেউ এমনিতে বসে- বসে পার করতে চাইছেনা, ভাবছে কী করা যায়।পূর্শত্রুতার জেরটাকে টেনে আনার এখনই মোক্ষম সময়।বাঁধিয়ে দিল ঝগড়া।কমপক্ষে ২০ জন আহত না হলে এ ঝগড়ার মূল্যটা রইল কই?!

এ করোনাকালের অবসরে দিঘিতে মাছ ধরার উৎসবটা সেরে নিলে কেমন হয়? যেমন ভাবনা তেমন কাজ।দিঘিতে মাছ ধরার উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝগড়া বাঁধিয়ে কে কত নিকৃষ্টতম উগ্রতার প্রকাশ ঘটাতে পারে তারও একটা প্রদর্শনী হয়ে যাকনা!
করোনাকালে বাথরুম সিঙ্গাররা ভাবছে- ‘ বাথরুমে গান গেয়ে নিজের এত্ত বড় প্রতিভাকে আর কত লুকিয়ে রাখব।
এবার বাথরুম থেকে বেরিয়ে বাস্তায় বসে গান গেয়ে আমরা কেন আমাদের শৈল্পিক প্রতিভার প্রকাশ ঘটাই না। ভাবনার সুন্দরতম (?) প্রকাশ ঘটাতে গিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত।৬০ জন আহত হবার মধ্য দিয়ে এ সুন্দরতম ভাবনার সফল পরিণতি!

এ করোনাকালে গ্রাম্য টাউট-বাটপার-মাতবরদেরও সময় কাটতে চায়না।গ্রামে একে-অপরের মধ্যে ঝগড়া বাঁধানোর কুটকৌশলের চর্চাটা বন্ধ রাখা যায় আর কত দিন? তারা ভাবছে- এ সুযোগে গ্রামে একটা ঝগড়া বাঁধিয়ে মিমাংসার নামে টু-পাইস কামিয়ে নিতে পারলে তো মন্দ হয়না।ভাবনা অনুুযায়ী-ই কাজ।বাঁধানো হলো ঝগড়া। আহত ৭০।এবার দুই পক্ষ থেকেই কিছু মাল পকেটস্হ করার একটা উপায় তো হলো!

করোনাকালের এ লকডাউনে বসে কীভাবে এলাকার ময়লা পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্হা করা সেটা নিয়ে ভাবা হচ্ছে।সিদ্ধান্ত হলো- ড্রেন নির্মান করতে হবে।ভাবনা এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ড্রেন নির্মানকে কেন্দ্র করে লকডাউন ভেঙ্গে প্রচন্ড সংঘর্ষ, আহত শতাধিক।বাহ! করোনাকালের মহৎ(?) ভাবনার সে কী করুণ পরিসমাপ্তি!

এ করোনাকালে অটোরিক্সাচালকটা ভাবছে-‘ইতোমধ্যে তো আমার নাম মধ্যবিত্তের খাতায় লিখা হয়ে গেছে। তাই, এ দূর্যোগকালে আমিই সবচেয়ে অপাঙতেয় ব্যক্তি , অন্যান্যদের মত ত্রাণের জন্য হাত পাততেও পারছিনা, আমার কেউ খোঁজও নিচ্ছেনা। অটোরিক্সাটা নিয়ে-ই বের হইনা কেন্?’
ভাবনা মোতাবেক বের হলে প্রথমেই তাঁকে লকডাউন ভাঙ্গার কারণে লাঠিপেটা খেতে হলো।এখান থেকে কোন রকমে পার পেয়ে একজন তথাকথিত ভদ্র যাত্রি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে ভাড়া বেশি( যাত্রির ভাষ্যমতে) চাওয়ায় বেঁধে গেল সংঘর্ষ।। আহত ২০।কথিত মধ্যবিত্ত অটোরিক্সাচালকের ভাবনার কী করুণ পরিণতি!

এ করোনাকালে গোষ্ঠির প্রধানগন ভাবছেন- ‘কী করোনা আইল রে ভাই, এ তো দেখছি আমাদের প্রাধান্যে ভাগ বসিয়ে দিচ্ছে! ঠুনকো অজুহাতে চৌধুরীর গোষ্ঠি আর মিয়ার গোষ্ঠিতে বাঁধানো হলো ঝগড়া।খুনোখুনি, নিহত ১।
আজকাল তথাকথিত গোষ্ঠিপ্রধানদের ভাবনা এমন-ই হয়ে থাকে!

করোনাকালে কৃষি-সেচ প্রকল্পের কাজ তো আর বন্ধ রাখা যায়না।সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহের ভাবনা এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পানি নিয়ে দরকষাকষি করতে যেয়ে বেঁধে যায় সংঘর্ষ। পুলিশ সহ আহত ২৫।এ-সময়ের ভাবনাগুলোর এ কেমন রূপ!

এদিকে, এ করোনাকালে কোন কোন পাতি-নেতা, ছাতি-নেতারা ভাবছে- ‘চুরি করা ত্রাণের চাউল বিতরণের ক ‘টা ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে উপরের সারির নেতাদের নযরে এনে পদ বাগিয়ে নেয়ার ভবিষ্যতের পথ প্রশস্হ করছিনা কেন ‘!যেমন ভাবনা তেমন কাজটা সেরে নিতেও তাদের যেন আর তর সইছেনা।শুরু হয়ে গেছে ত্রাণ বিতরণে ফটোসেশানের প্রতিযোগীতা।আবার কেউ-কেউ ত্রাণ বিতরণ করে কেড়েও নিয়েছে- এ সংবাদও পাওয়া যাচ্ছে।পাতি-ছাতি নেতা/ জনপ্রতিনিধিদের ভাবনার সে- কী বিশ্রী রূপ!

এ করোনাকালে কোন কোন ডাক্তার ভাবছেন- ‘হাসপাতালে ডিউটি করতে যেয়ে নিজেও মরব এবং পরিবারকেও মারতে যাব কেন্ ‘। ভাবখানা এমন- যেন তাঁর মৃত্যু কখন , কীভাবে হবে – এ সার্টিফিকেট যেন তাঁর নিজের হাতেই আছে।এ করোনাকালে ডাক্তারদের এ কোন্ অমানবিক- দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবনা!?

এ করোনাকালে সবারই ভাবনা হওয়া উচিৎ- স্ব স্ব অবস্হানে থেকে অর্পিত দায়িত্ব(করোনা-চিকিৎসাকাজে নিয়োজিতদের)মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে পালণ করা ,সবাইকে স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা মোকাবেলা করা।, আর- ত্রাণ চোরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ত্বরিৎ নিশ্চিৎ করা।

লেখক:: মো. নুরুল হক, অবসরপ্রাপ্ত সহকারি পোস্ট মাস্টার জেনারেল বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

মোবাইল নাম্বার-০১৮৫৫৯২৭৩১৬
ই মেইল- হঁৎঁষযধয়ঁবঢ়ড়ংঃধষ৫৯ @মসধরষ.পড়স

 (আমার বাংলাদেশ/কাআহমেদ// )

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে(লাইনে) ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

The post করোনাকালের ভাবনা appeared first on AmarBangladeshbd.com.

]]>